যাদবপুরে ১০ হাজার কণ্ঠে হবে বন্দে মাতরমযাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মাঝেই ক্যাম্পাসের ভিতরে ও বাইরে রাষ্ট্রবাদ প্রতিষ্ঠা করার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি ছিল, ক্যাম্পাসের ভিতর বন্দে মাতরম গাইতে দেওয়া হয় না। এবার সেই বন্দে মাতরম গাওয়ার কর্মসূচি নিল রাজ্য সরকার। তবে ক্যাম্পাসের ভিতর নয়, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খানিক দূরে ৮বি-তে।
শুক্রবার যাদবপুর ৮বি মোড়ে আয়োজিত হতে চলেছে ‘সহস্র কণ্ঠে বন্দে মাতরম’ অনুষ্ঠান। উপস্থিত থাকবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিকেল ৩টে নাগাদ এই অনুষ্ঠান শুরু হবে, যেখানে প্রায় ১০ হাজার মানুষের কণ্ঠে সমবেত ভাবে গাওয়া হবে বন্দে মাতরম।
রাখিবন্ধন উৎসবের দিনটিকে রাজ্য জুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে 'দেশপ্রেম দিবস' হিসেবে পালন করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য জুড়ে প্রায় চার হাজার বিশেষ অনুষ্ঠান হবে। এই দেশপ্রেম দিবসেরই অঙ্গ হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘দেশই সবার আগে’ বার্তা পৌঁছে দিতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই সরকারি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
ইতিমধ্যেই সাজো সাজো রব ৮বি বাসস্ট্যান্ডে। ১ কিলোমিটার ব়্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। ‘যাদবপুর ক্যাম্পাসে কেন আজাদি স্লোগান ওঠে?’ এই প্রশ্নও তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর কথায়, ‘যাদবপুরের আর্টস বিভাগের হস্টেলের দেওয়ালে ভারতকে ছোট করে কার্টুন আঁকবেন? বাজনা বাজাতে বাজাতে বলবেন আজাদি? কেয়া আজাদি! ১৯৪৭–এর ১৫ অগাস্ট আজাদি হয়ে গিয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কথার প্রতিধ্বনি করে বলি, এরা দিমাগি নকশাল। এদের যাঁরা সাপোর্ট করছেন, তাঁদের কাউকে BJP সরকার ছাড়বে না।'
এক্স হ্যান্ডলে কিছু ভিডিও পোস্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি ৪টে ভিডিও পোস্ট করতে বাধ্য হলাম। দেখা যাচ্ছে লেখা রয়েছে, রেড স্যালুট কিষেণজি। কে কিষেণজি? ১ হাজার ভারতীয়কে খুন করেছেন। পুলিশকেও খুন করেছেন। যাঁরা রেড স্যালুট কিষেণজি বলবেন, তাঁদের স্থান কলকাতা, যাদবপুর, পশ্চিমবঙ্গে হবে না।'
এই আবহে রাখি বন্ধনের দিন রাজ্য সরকারের ৮বি বাসস্ট্যান্ডের অনুষ্ঠানের দিকে নজর সকলেরই। নিরাপত্তা আঁটসাঁট করা হয়েছে। রাস্তা আংশিক বন্ধ রাখা হয়েছে। ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে গাড়িও।