scorecardresearch
 

ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার সিভিক ভলেন্টিয়ার, সঙ্গী পুলিশের গাড়ি চালকও

আর পাঁচজন কুখ্যাত দুষ্কৃতী বা সমাজ বিরোধী নয়, মারধর এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশের জালে ধরা পড়ল পুলিশেরই গাড়ি চালক এবং এক সিভিক ভলেন্টিয়ার। ধৃত দুজনেই কলকাতা পুলিশের পার্ক সার্কাস ট্রাফিক গার্ডে কর্মরত।

প্রতিকি ছবি প্রতিকি ছবি
হাইলাইটস
  • ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশের জালে ধরা পড়ল পুলিশেরই গাড়ি চালক
  • গ্রেফতার সিভিক ভলেন্টিয়ারও
  • ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু

আর পাঁচজন কুখ্যাত দুষ্কৃতী বা সমাজ বিরোধী নয়, মারধর এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশের জালে ধরা পড়ল পুলিশেরই গাড়ি চালক এবং এক সিভিক ভলেন্টিয়ার। ধৃত দুজনেই কলকাতা পুলিশের পার্ক সার্কাস ট্রাফিক গার্ডে কর্মরত। দু'জনকেই বুধবার গভীর রাতে গ্রেফতার করে  বড়বাজার থানার পুলিশ। ধৃত কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলেন্টিয়ার শেখ আকবর এন্টালি থানা এলাকার বাসিন্দা। অপর ধৃত শেখ জামিল মণ্ডল হুগলি জেলার বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে। দুজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে বড়বাজার থানার পুলিশ।

পোস্তা এলাকার বাসিন্দা বছর চব্বিশের রাজকুমার দাস অভিযোগ করেন, বুধবার রাতে স্ট্র্যান্ড রোড এবং আর্মেনিয়ান রোডের মোড়ে নিজের মালবাহী গাড়ি দাঁড় করিয়ে কাজ করছিলে।, আচমকা লাল রঙের একটি টাটা সুমো নিয়ে হাজির হয় দুই যুবক। ওই গাড়ির সামনে পুলিশ লেখা ছিল বলে দাবি। কলকাতা পুলিশের ওই গাড়ি থেকে নেমে দুই যুবক রাজকুমারের কাছে তোলা আদায় করে বলে অভিযোগ। এই নিয়ে দু'পক্ষের বচসা বাধলে রাজকুমার দাসকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পেশায় গাড়িচালক রাজকুমারের অভিযোগ, শারীরিকভাবে নির্যাতন চালানোর পর তার গলার রুপোর চেন সহ মানিব্যাগটি ছিনতাই করে নেয় ওই দুজন। খোয়া যায় তার প্যান কার্ড, আধার কার্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স।  

বড়বাজার থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রাজকুমার দাস নামের ওই গাড়িচালক। ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে বড় বাজার থানার পুলিশ। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সন্ধান মেলে দুই অভিযুক্তের। এর পরেই জামিল মণ্ডল এবং শেখ আকবরকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৯২  ধারায় মামলা রুজু করেছে বড় বাজার থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত জামির মন্ডল কলকাতা পুলিশের পার্ক সার্কাস ট্রাফিক গার্ডের গাড়ির চালক এবং অপর ধৃত শেখ আকবর ওই একই ট্রাফিক গার্ডের সিভিক ভলান্টিয়ার পদে কর্মরত। কলকাতা পুলিশের সাথেই যুক্ত দুই কর্মীর এমন আচরণে বেজায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন লালবাজারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।