Laketown News: লেকটাউন থেকে উদ্ধার ২০টি সোনার বিস্কুট, পুলিশের হাতে গ্রেফতার ২

বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার অমিত কুমার রাঠোর জানান, ২৩ জুলাই রাতে নিয়মিত পেট্রোলিং চলাকালীন লেকটাউন বি ব্লকের একটি পার্কের কাছে দুই ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখেন টহলরত পুলিশকর্মীরা। তাদের আচরণে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তল্লাশি চালানো হয়।

Advertisement
লেকটাউন থেকে উদ্ধার ২০টি সোনার বিস্কুট, পুলিশের হাতে গ্রেফতার ২২০টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার
হাইলাইটস
  • লেকটাউনের বি-ব্লক পার্কে চার কেজি সোনা-সহ গ্রেফতার করা হল দু’জনকে।

লেকটাউনের বি-ব্লক পার্কে চার কেজি সোনা-সহ গ্রেফতার করা হল দু’জনকে। ওই দু’জনকে সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে পুলিশের টহলদারি দল। তার পরই তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তখন তাঁদের কাছ থেকে সোনা উদ্ধার হয়। ধৃতদের থেকে ৪ কেজি ওজনের ২০টি সোনার বিস্কুটের পাশাপাশি কয়েকটি পুরনো দিনের ২ টাকার নোট এবং ২টি পুরনো দিনের ১ টাকার নোট।  এই ঘটনার সঙ্গে বড় কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। 

বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার অমিত কুমার রাঠোর জানান, ২৩ জুলাই রাতে নিয়মিত পেট্রোলিং চলাকালীন লেকটাউন বি ব্লকের একটি পার্কের কাছে দুই ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখেন টহলরত পুলিশকর্মীরা। তাদের আচরণে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় মোট ২০টি সোনার বিস্কুট, যার মোট ওজন প্রায় ৪ কেজি বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্ধার হয় কয়েকটি পুরোনো দিনের ২ ও ১ টাকার নোট। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে দুই ব্যক্তিকে আটক করে। পরে ধৃতদের লেকটাউন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। 

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ‍্যে একজন ভিন্‌রাজ‍্যের। ধৃতেরা আগে থেকেই এই কাজে যুক্ত রয়েছেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এর আগেও ধৃতেরা ২-২.৫ কেজি সোনা নিয়ে এই ভাবে আসা-যাওয়া করেছেন বলে সূত্রের খবর। তদন্তকারীদের অনুমান, এই ঘটনার সঙ্গে কোনও বড় সোনা পাচার চক্র বা অবৈধ লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। উদ্ধার হওয়া সোনার উৎস, কার কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল এবং এই চক্রে আর কারা জড়িত, সেই সমস্ত তথ্য জানার চেষ্টা করছে বিধাননগর পুলিশ। এই পাচারচক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং তাদের নেটওয়ার্ক কত দূর বিস্তৃত, তা জানতে ধৃতদের জেরা করছে পুলিশ।

Advertisement

রিপোর্টার- অরিন্দম ভট্টাচার্য
 

POST A COMMENT
Advertisement