দোলের ছুটি কবে? 'হোলি কব হ্যায়, কব হ্যায় হোলি...'। শোলে সিনেমার এই জনপ্রিয় ডায়লগ এখন সকলের মুখে মুখে। আর কিছুদিনের মধ্যেই উদযাপিত হবে রঙের উৎসব। তবে দোল আর হোলি কি এবারও একই দিনে পড়েছে না আলাদা আলাদা দিন? এই নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে।
হিসেব অনুসারে, হোলিকা দহন অর্থাৎ বাংলায় যাকে বলা হয়, ন্যাড়া পোড়ানো হবে ২ মার্চ। তার তার ঠিক পরদিন পালিত হয় দোল উৎসব। সেক্ষেত্রে ছুটি কবে পড়ছে, তা নিয়েও বিভ্রান্তি রয়েছে। ৩ না ৪, এ রাজ্যে দোলের ছুটি কবে?
কবে দোল?
রঙের উৎসব হোলি নিয়ে বরাবরই মানুষের উৎসাহ থাকে তুঙ্গে। গোটা দেশ জুড়ে ধুমধাম করে পালিত হয় হোলি। আর বাংলায় সেটাই দোল উৎসব। সাধারণত ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমার দিন রং খেলা হয়। বাঙালিরা এই দিনটিকে দোল পূর্ণিমা হিসেবে পালন করেন। ২০২৬ সালে দোল উৎসব পালিত হবে ৩ মার্চ, মঙ্গলবার। আর হোলি ৪ মার্চ, বুধবার। তবে পশ্চিমবঙ্গে সরকারি ছুটি মঙ্গলবার, দোলের দিন।
আলাদা আলাদা রাজ্যে ভিন্ন কায়দায় হোলি উদযাপিত হয়। মধ্য প্রদেশের মালওয়াতে হোলির পঞ্চম দিনটিকে বলা হয় রং পঞ্চমী। মূল হোলির থেকে এদিন বেশি রং খেলা হয় সেখানে। ব্রজ অঞ্চলেও মহা ধুমধামে হোলি পালিত হয়। বারাণসীর লটমহরে রং উৎসব অত্যন্ত জনপ্রিয়। মথুরা এবং বৃন্দাবনে ১৫ দিন ধরে চলে উৎসব। মহারাষ্ট্রে শুকনো রং দিয়ে খেলা হয় রং পঞ্চমী। ব্রজে হোলি খেলা হয় লাড্ডু হোলি, ফুলন হোলি, লাঠমার হোলি, রং-আবির হোলি ইত্যাদি নিয়মে।
দোলেই চন্দ্রগ্রহণ
৩ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার থাকবে ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথি। সেই কারণ ফাল্গুনী পূর্ণিমার আর এক নাম দোল পূর্ণিমা। ভারতীয় সময় অনুসারে ৩ মার্চ দুপুর ৩টে ২০ মিনিটে চাঁদে গ্রহণ লাগবে। গ্রহণ চলবে সন্ধে ৬টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। মোট ৩ ঘণ্টা ২৭ মিনিট ধরে গ্রহণ চলবে। পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, অসম এবং অরুণাচল প্রদেশ থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।