প্রতীকী ছবি প্রথম পর্যায়ের ২৪৭টি কলেজের পর এবার দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ১৭১টি কলেজের পরিচালন সমিতি বা জেনারেল বডির সভাপতি পদে বসলেন BJP বা RSS-এর বিশ্বস্তরাই। রাজ্যে সরকারি কলেজ বাদ দিয়ে কমবেশি ৪৫০টি কলেজের জেনারেল বডির সভাপতি বাছাই করার দায়িত্ব উচ্চশিক্ষা দফতরের। তার মধ্যে ৪১৮টি বেছে নেওয়া হল এভাবেই।
কোন কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি কোন নেতা?
> উমেশচন্দ্র কলেজে জেনারেল বডির সভাপতি BJP ঘনিষ্ঠ অধ্যাপক পঙ্কজকুমার রায়।
> চারুচন্দ্র কলেজে জেনারেল বডির সভাপতি BJP ঘনিষ্ঠ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক বিমলশঙ্কর নন্দ।
> পাটুলি সম্মিলনী মহাবিদ্যালয়ের জেনারেল বডি সভাপতি লকেট চট্টোপাধ্যায়।
> সুরেন্দ্রনাথ কলেজের জিবি সভাপতি BJP নেতা তমোঘ্ন ঘোষ।
> সুরেন্দ্রনাথ উইমেন্স কলেজের জিবি সভাপতি BJP নেত্রী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল।
> সাবিত্রী গার্লস কলেজের জিবি সভাপতি BJP-র প্রাক্তন কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিত।
> মুরলীধর গার্লস কলেজে জিবি সভাপতি BJP নেত্রী শতরূপা।
> আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু কলেজে জিবি সভাপতি BJP নেতা শিশির বাজোরিয়া।
> বাসন্তী দেবী কলেজে জিবি সভাপতি BJP নেত্রী শশী অগ্নিহোত্রী।
> হেরাম্বচন্দ্র কলেজে জিবি সভাপতি BJP নেতা রাজকমল পাঠক।
> যোগেশচন্দ্র চৌধুরী আইন কলেজে অজয় অগ্নিহোত্রীর নাম জিবি সভাপতি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
অর্থাৎ BJP বিধায়ক, জেলা সভাপতি, প্রাক্তন সভাপতি বা রাজ্য কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি কয়েকজন হেভিওয়েট BJP নেতা-নেন্ত্রীদেরই কলেজগুলির পরিচালন সভাপতির মাথায় দেখা যাচ্ছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এই তালিকায় রয়েছেন NCPI সাংসদ, জঙ্গিপুরের খলিলুর রহমান।
সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবং কলেজের অধ্যক্ষদের কাছে ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকার কপি পাঠানো হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের অধিকাংশ সরকারপোষিত কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি পদে থাকতেন শাসকদলের বিধায়ক বা সাংসদেরা। নতুন সরকার গঠনের পরেই ওই সব পদাধিকারীদের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতিক ছোঁয়া রয়েই গেল। 'গৈরিকীকরণ'-এর অভিযোগ বিরোধী শিবিরের।