রাস্তায় ফেলে গণধোলাই দিলেন অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরারাজ্যে সরকার বদলাতেই তোলাবাজির অভিযোগে বিধাননগর পুরনিগমের একাধিক তৃণমূল কাউন্সিল গ্রেফতার হয়েছেন। এবার সল্টলেকে তোলাবাজির অভিযোগে গণধোলাই খেলেন স্থানীয় কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের থেকে ওই ব্যক্তি তোলা চাওয়াতেই তাঁকে রাস্তায় টেনেহিঁচড়ে মারধর করা হয়েছে।
ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে সল্টলেকের সিএ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের থেকে তোলা নেওয়া এবং দোকানের জন্য জমি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে।
জানা যাচ্ছে, বিধাননগর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায় পরিদর্শনের জন্য সল্টলেকের সিএ মার্কেটে গিয়েছিলেন। পরিদর্শনের সময় ব্যবসায়ীরা বিধায়কের কাছে অভিযোগ করেন, চন্দন ভট্টাচার্য নামে এক স্থানীয় তৃণমূল নেতা তাদের দোকানের জন্য জায়গা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করছেন। এরপর বিধায়ক ওই তৃণমূল নেতাকে ডেকে পাঠান, কিন্তু তিনি এসে অভিযোগগুলো সরাসরি অস্বীকার করেন। তার এই অস্বীকৃতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যবসায়ীরা চন্দন ভট্টাচার্যকে ঘিরে ধরে মারধর শুরু করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশকর্মীরা হস্তক্ষেপ করে তাঁকে উদ্ধার করেন এবং থানায় নিয়ে যান।
প্রসঙ্গত, তোলাবাজি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একাধিকারবার কড়া বার্তা দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজিত বসুর পাশাপাশি তাঁর ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে একাধিক তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই তৃণমূল কাউন্সিলরকে। বিধাননগরের ৩৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হন বিধাননগর পুরনিগমের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সম্রাট বড়ুয়া ওরফে রাখালও। গত শুক্রবার রাতে বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর ছায়াসঙ্গী বলে পরিচিত সম্রাট বড়ুয়াকে গ্রেফতার করে বাগুইআটি থানার পুলিশ। এখনও পর্যন্ত তোলাবাজির অভিযোগে বিধাননগর পুরনিগমের ৪ জন কাউন্সিলারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।