অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুটি মিটিং চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিটিং ক্যাথিড্রাল রোডে। অন্যদিকে রানি রাসমণি রোডে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের মিটিং। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিটিংয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তুললেন বিদ্রোহী বিধায়ক ও সাংসদদের প্রসঙ্গ। তাঁর দাবি, গদ্দারদের আর ফেরানো হবে না।
'সহ্য করার ক্ষমতাও রাখবে'
বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসের সাইনবোর্ড খোলা নিয়ে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ ও কলকাতা পুরসভাকে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ও অশান্তির জেরে ১৩ জনকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই ঘটনা তুলে বিজেপি-কে টার্গেট করে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, 'যত অত্যাচার করতে হয় করুন, কিন্তু ততটাও সহ্য করার ক্ষমতাও রাখবে।' এরপরেই দলের বিদ্রোহী বিধায়ক, সাংসদদের নিশানা করেন অভিষেক।
'আমি বিসি বলি, বালিশ চাটা বলি না'
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে নিশানা করে অভিষেকের কটাক্ষ, 'যারা এই সময় কর্মীদের হাত ছেড়ে বিসি গ্রুপে নাম লিখিয়েছিলেন, আমি বিসি বলি, বালিশ চাটা বলি না, বিজেপির হাতে তামাক খাচ্ছেন, তাদের আগামী দিনে কোনও ছাড় তৃণমূল কংগ্রেস দেবে না। এদের যা জেদ, তার দশ গুণ জেদ আমার। লড়াই তো হবে, কত ধান কত চাল, বোঝাবো! তোমার ইডি, সিবিআই, সিডিআইডি, পুলিশ, যত ক্ষমতা আছে লাগাও, তাও মুখ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ বেরোবে।'
২০ জন সাংসদের পদ খারিজ করে দেখাব: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
বিদ্রোহী সাংসদদের টার্গেট করলেন মমতাপন্থী তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বললেন, 'আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, ২০ জন সাংসদের পদ খারিজ করে দেখাব। রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে সাময়িক করে ছেড়েছি। মুখ্যমন্ত্রীর পদটিও শুভেন্দু অধিকারীর সাময়িক করে দেব।'
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মমতাপন্থী শিবির আজ, শুক্রবার ক্যাথিড্রাল রোডে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করল। আবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবিরের অনুগামী টিএমসিপি রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সভা করেছে। ট্রাডিশন মেনে মহাজাতি সদনে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করল কংগ্রেসের ছাত্র পরিষদ।