Agnimitra Paul: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পেতে কেন ১২ পাতার ফর্ম ফিলআপ, 'বেশ করেছি,' বলছেন অগ্নিমিত্রা

কেন পাতার পর পাতা ফর্ম ফিলআপ করতে হবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পেতে গেলে? কেন জানাতে হবে গোটা পরিবারের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, আয়-ব্যয়ের হিসেব? খোলসা করলেন অগ্নিমিত্রা পল।

Advertisement
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পেতে কেন ১২ পাতার ফর্ম ফিলআপ, 'বেশ করেছি,' বলছেন অগ্নিমিত্রাঅগ্নিমিত্রা পল
হাইলাইটস
  • কেন পাতার পর পাতা ফর্ম ফিলআপ?
  • কেন জানাতে হবে গোটা পরিবারের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি
  • অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম নিয়ে মুখ খুললেন অগ্নিমিত্রা

১১-১২ পাতার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলআপ করতে গিয়ে নাকানি-চোবানি খাচ্ছেন অধিকাংশ মহিলা। ফর্ম দেখে কার্যত ভিড়মি খাচ্ছেন অনেকে। কেউ কেউ বলছেন, ৩ হাজার টাকার জন্য বাড়ির হাঁড়ির খবরও নিয়ে নিচ্ছে সরকার! তবে প্রশাসনের বক্তব্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে বহু ভুয়ো নাম ঢুকেছিল। তাই প্রতিটি পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দেওয়া হবে। সে কারণেই এই তথ্যগুলি জানানো প্রয়োজনীয়। 

পাতার পর পাতা তথ্য সরকারের সব প্রকল্পের জন্যই অভিন্ন তথ্যভাণ্ডার হিসেবে গণ্য হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। এ সব নিয়েই প্রশ্ন করা হয় রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পলকে। কী জানালেন তিনি? কেন এই ১১-১২ পাতার ফর্ম ফিলআপ করানো হচ্ছে ৩ হাজার টাকার জন্য? 

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, 'আমরা তো জানতাম না এত ভুয়ো নাম ঢোকানো হয়েছে। দেখার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি স্ক্রুটিনি হবে।' এর আগে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ঘোষণা করার সময়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং অগ্নিমিত্রা পল, দু'জনেই জানিয়েছিলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প যাঁরা পাচ্ছেন তাঁদের অটোমেটিক ট্রান্সফার হবে অন্নপূর্ণা যোজনায়। ফর্ম ফিলআপের প্রয়োজন পড়বে না। সেক্ষেত্রে কেন সকলকেই ফর্ম ফিলআপ করতে হচ্ছে? এই নিয়ে একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। 

অগ্নিমিত্রা পল এ প্রসঙ্গে বলেন, 'আমিও বলেছিলাম, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীও বলেছিলেন ক্যাবিনেট মিটিংয়ের পরে, যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, তাঁদের নাম ট্রান্সফার হয়ে যাবে। যখন ৯১ লক্ষ SIR-এ বাদ যাওয়া নাম যাচাই করা হল, তখন দেখা গেল বহু ভুয়ো নাম। এমনকী পুরুষরাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন। তাই জন্য বেশ করেছি। যা করলে জনগণের জন্য সঠিক হবে, জনগণের টাকাকে সম্মান দেওয়া হবে, রক্ষা করা হবে, সেটাই করেছি। এক একটা টাকা আমাদের রক্ষা করতে হবে।' মন্ত্রীর সংযোজন, 'যাঁদের পাওয়ার কথা তাঁরা অবশ্যই পাবেন, নিশ্চিত করছি।'  

Advertisement

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিতে গেলে যে জরুরি তথ্য জানা প্রয়োজন
> আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২৫-৬০ বছরের মধ্যে। 
> সরকারি চাকরি করলে মিলবে না। 
> কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার অধিগৃহূত, পঞ্চায়েত-পুরসভা কিংবা স্থানীয় প্রশাসনে কর্মরত হলেও মিলবে না।
> সরকারি বা সরকার পোষিত কোনও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীও পাবেন না। 
> আয়কর দিলে মিলবে না। 

একদিকে, DBT লিঙ্ক করানোর লাইন, অন্যদিকে, পাতার পর পাতা প্রিন্ট করিয়ে তা পূরণ করার ঝঞ্ঝাট। মহিলাদের একাংশের ক্ষোভের কথা শুনে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেছেন, 'পর্যালোচনা ককছি, যদি আবেদনের পদ্ধতির কোনও সরলীকরণ করা যায়।'

 

POST A COMMENT
Advertisement