Mamata Banerjeeমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে নির্বাচনে হেরেছেন। তাঁর দলের ভরাডুবি হয়েছে এক মাসও হয়নি। এরই মধ্যে তৃণমূল ভেঙে চুরমার। মমতাকে সভানেত্রী উল্লেখ করেও তাঁর হাত থেকে রাশ কেড়ে নিতে ৫৮ বিধায়কের সই নিয়ে নিজেকে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকের প্রশ্ন, তাহলে মমতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী?
এরই মধ্যে বিস্ফোরক পোস্ট বিজেপি নেতা অমিত মালব্যর। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় তো পতনের সবে তো শুরু। তাঁকে এখনও অনেক কিছুরই হিসাব দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকে তাঁর দলের কর্মী-সমর্থকরা দাবি করতেন, তাঁদের নেত্রী একদিন প্রধানমন্ত্রী হবেন। তাঁর নেতৃত্বেই ইন্ডিয়া জোট সরকার গড়বে। এমনকী ছাব্বিশের ভোটে হেরে যাওয়ার পরও তিনি দাবি করেছিলেন, দিল্লিতে গিয়ে ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে বৈঠক করব।'
এদিন দুপুরে যে পোস্ট মালব্য করেন তার ছত্রে ছত্রে কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি দাবি করেন, কদিন আগে পর্যন্ত তিনি মনে করতেন, প্রধানমন্ত্রী হবেন। মিথ্যা বলে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ক্ষমতা থেকে সরাবেন। তাঁর পোস্ট, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভেবেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ ও কটাক্ষ করে তিনি একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন। এক মাস আগেও তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আজ তাঁর নিজের দলের সদস্য ও বিধায়করাও তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় দলীয় বিধায়কদের উপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গেছে। আর এ তো কেবল শুরু। তাঁর হাতে যে রক্তের দাগ লেগে আছে, তারও জবাব তাঁকে দিতে হবে।'
প্রসঙ্গত, দলবিরোধী কাজের অভিযোগে এর আগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপরই আজ সেই ঋতব্রতর নেতৃত্বে তৃণমূলের সংখ্য়াগরিষ্ঠ বিধায়করা স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে বিরোধী দল হিসেবে সমর্থনপত্র জমা দেন।