মেসিকাণ্ডে অবশেষে থানায় হাজিরা অরূপ বিশ্বাসের, ৩ বার এড়িয়েছিলেন জিজ্ঞাসাবাদ

মেসিকাণ্ডে অবশেষে পুলিশের মুখোমুখি হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। দীর্ঘদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বিধাননগর দক্ষিণ থানায় উপস্থিত হন। সকাল ৯টা ৫৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে থানায় ঢুকতে দেখা যায়।

Advertisement
মেসিকাণ্ডে অবশেষে থানায় হাজিরা অরূপ বিশ্বাসের, ৩ বার এড়িয়েছিলেন জিজ্ঞাসাবাদঅরূপ বিশ্বাস।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • মেসিকাণ্ডে অবশেষে পুলিশের মুখোমুখি হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।
  • দীর্ঘদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বিধাননগর দক্ষিণ থানায় উপস্থিত হন।

মেসিকাণ্ডে অবশেষে পুলিশের মুখোমুখি হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। দীর্ঘদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বিধাননগর দক্ষিণ থানায় উপস্থিত হন। সকাল ৯টা ৫৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে থানায় ঢুকতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, এই মামলার তদন্তে সহযোগিতার জন্য এর আগে তিনবার অরূপ বিশ্বাসকে তলব করেছিল বিধাননগর পুলিশ। তবে প্রতিবারই তিনি বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে যান। অবশেষে বৃহস্পতিবার তিনি থানায় গিয়ে তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।

মেসির কলকাতা সফর এবং যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ঘিরে বিতর্কের আবহে অরূপ বিশ্বাসের এই হাজিরাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্তকারীরা তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে, রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক সম্পদ। সূত্রের দাবি, দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বর্তমানে প্রায় ৫৩৪ কোটি টাকা রয়েছে। বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার পর এই বিপুল অর্থের উপর আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সক্রিয় হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ শিবিরের নেতারা।

এই খবর কালীঘাটে পৌঁছতেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তৎপরতা। সূত্রের দাবি, দলের তহবিল নিয়ে আইনি জটিলতার আশঙ্কা তৈরি হতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নড়েচড়ে বসেন। অভিযোগ, তিনি দলের কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাসকে নির্দেশ দেন, সাময়িকভাবে ওই বিপুল অঙ্কের অর্থ একটি ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে, যাতে নতুন রাজনৈতিক ব্লক আইনি পথে সেই অর্থের নিয়ন্ত্রণ দাবি করতে না পারে।

যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফলে বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশই বাড়ছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement