Kolkata mutton shops: ৮৮০ থেকে ১,০০০ টাকা! হোলিতে রেওয়াজি-কচি পাঁঠার কেমন দাম? ভোররাত থেকে দীর্ঘ লাইন

দোলের আবহে এ বছর কলকাতায় মাটনের চাহিদা যেন সব রেকর্ড ভেঙে দিল। রেওয়াজি মাটন বা কচি পাঠা, অনেকের কাছেই যা দোলের দিনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তার জন্য শহরের বিভিন্ন প্রান্তে লম্বা লাইন চোখে পড়েছে। চাহিদার চাপে মাটনের দাম বেড়ে কেজি প্রতি ১,০০০ টাকায় পৌঁছেছে বহু জায়গায়।

Advertisement
৮৮০ থেকে ১,০০০ টাকা! হোলিতে রেওয়াজি-কচি পাঁঠার কেমন দাম? ভোররাত থেকে দীর্ঘ লাইনখাসির মাংসের দোকান।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • দোলের আবহে এ বছর কলকাতায় মাটনের চাহিদা যেন সব রেকর্ড ভেঙে দিল।
  • রেওয়াজি মাটন বা কচি পাঠা, অনেকের কাছেই যা দোলের দিনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।

দোলের আবহে এ বছর কলকাতায় মাটনের চাহিদা যেন সব রেকর্ড ভেঙে দিল। রেওয়াজি মাটন বা কচি পাঠা, অনেকের কাছেই যা দোলের দিনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। তার জন্য শহরের বিভিন্ন প্রান্তে লম্বা লাইন চোখে পড়েছে। চাহিদার চাপে মাটনের দাম বেড়ে কেজি প্রতি ১,০০০ টাকায় পৌঁছেছে বহু জায়গায়।

বেহালা থেকে বাগুইআটি, যাদবপুর থেকে মানিকতলা, দোল পূর্ণিমার আগের দিন থেকেই মাংসের দোকানের সামনে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বুধবার, হোলির সকালেও সেই ভিড় কমেনি। ক্রেতা ও দোকানদারদের দাবি, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় মাটনের গড় দাম ৮৮০ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১,০০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

বেহালার এক মাংস ব্যবসায়ী জানান, 'চাহিদা বেশি থাকায় এই সপ্তাহে দাম এমনই থাকবে।' তবে অনেক ক্রেতার কাছেই এই বৃদ্ধি ছিল অস্বস্তিকর। এক ক্রেতার কথায়, '১০০ টাকারও বেশি দাম বৃদ্ধি সত্যিই অবাক করার মতো।'

প্রতি বছরই হোলির সময় মাটনের চাহিদা বাড়ে, তবে সাধারণত দাম বাড়ে ২০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। এ বছরের বৃদ্ধিকে তাই অনেকেই ‘অস্বাভাবিক’ বলছেন। শহরের বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, তাঁরা আগেই দাম বাড়ার ইঙ্গিত পেয়েছিলেন। তবে কেউ কেউ আগাম আন্দাজ করে আগে থেকেই মাটন কিনে রেখেছিলেন। মানিকতলার এক বাসিন্দা জানান, সোমবার সকালেই ৮০০ টাকায় কিনে নিয়েছিলেন, কারণ বুঝেছিলেন দাম বাড়বে।

হাজরার একটি দোকানে নাকি মধ্যরাত পর্যন্ত লাইন ছিল। আবার কেউ কেউ বিকল্প হিসেবে হাঁস বা অন্য মাংস বেছে নিয়েছেন। এক বাসিন্দার কথায়, 'প্রায় আধ কিলোমিটার লম্বা লাইন দেখে হাঁসেই ভরসা করেছি।'

সব মিলিয়ে, দোলের আনন্দে মাংস-ভাতের রেওয়াজ বজায় রাখতে গিয়ে এ বছর কলকাতাবাসীকে গুনতে হয়েছে বাড়তি দাম। তবুও উৎসবের স্বাদে কোনও খামতি রাখেননি শহরের মাটনপ্রেমীরা।

 

POST A COMMENT
Advertisement