কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের বাড়িতে সিবিআই। সূত্রের খবর, আরজিকর মামলার তদন্তেই তাঁর বাড়িতে রওনা হয়েছে সিবিআই। এদিন দুপুর নাগাদ হাতে ফাইলপত্র নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অতীন ঘোষের শ্যামবাজারের বাড়িতে পৌঁছন সিবিআই আধিকারিকরা।
উল্লেখ্য, আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পর একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। হাসপাতালের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ অর্থ নয়ছয় হয়েছে বলে অভিযোগ। এই আর্থিক দুর্নীতির মামলাটির তদন্তে নেমেছে সিবিআই।
প্রথম থেকেই এই মামলায় একাধিকবার কলকাতার ডেপুটি অতীন ঘোষের নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্রেই এদিন দুপুরে তাঁর শ্যামবাজারের বাড়িতে যান সিবিআই আধিকারিকরা। আগেই অতীনকে নোটিশ পাঠিয়ে জানানো হয়েছিল জিজ্ঞাসাবাদের কথা। সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের দলে রয়েছেন আর্থিক দুর্নীতি মামলার মূল তদন্তকারী অফিসার-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। কিছু দিন আগে শ্রীরামপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতেও হানা দিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁরাও এদিন উপস্থিত ছিলেন।
সন্দীপ ঘোষ-সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় চার্জগঠন করেছে সিবিআই। এই মামলা বিচারাধীন আলিপুর আদালতে। অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায় দোষী সাব্যস্ত হলেও, বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত এখনও চলছে।
ঘটনার প্রতিবাদে গোটা শহর যখন উত্তাল, তখন ১৪ অগাস্ট হাসপাতালে রাতদখল কর্মসূচির মাঝে ভাঙচুর চালানো হয়। বিরোধীরা সেই সময়ও অতীনের দিকে আঙুল তোলে। ওই ভাঙচুরের মামলা তদন্ত করছে কলকাতা পুলিশ। ফলে ধর্ষণ-খুনের পাশাপাশি আর্থিক দুর্নীতি ও রাজনৈতিক যোগ, দু'দিকেই জটিলতা বাড়ছে আরজি কর কাণ্ডে।