Sovan Baishakhi: 'অনেক কিছু দেখেছি', শোভন-রত্নার ডিভোর্স মামলায় প্রধান সাক্ষী বৈশাখী

শোভন চট্টোপাধ্যায় (Sovan Chatterjee) ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের (Ratna Chatterjee) বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় আজ, শুক্রবার আদালতে সাক্ষী দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় (Baisakhi Banerjee)। আগামী ৩০ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানিতেও সাক্ষ্য দিতে আসতে হবে শোভন-বান্ধবী বৈশাখীকে।

Advertisement
 'অনেক কিছু দেখেছি', শোভন-রত্নার ডিভোর্স মামলায় প্রধান সাক্ষী বৈশাখীশোভন-বৈশাখী-রত্না
হাইলাইটস
  • শোভন চট্টোপাধ্যায় (Sovan Chatterjee)  ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের (Ratna Chatterjee) বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় আজ, শুক্রবার আদালতে সাক্ষী হিসেবে হলফনামা জমা দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় (Baisakhi Banerjee)।
  • আগামী ৩০ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানিতেও আসতে হবে শোভন-বান্ধবী বৈশাখীকে। 

শোভন চট্টোপাধ্যায় (Sovan Chatterjee)  ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের (Ratna Chatterjee) বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় আজ, শুক্রবার আদালতে সাক্ষী হিসেবে হলফনামা জমা দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় (Baisakhi Banerjee)। আগামী ৩০ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানিতেও আসতে হবে শোভন-বান্ধবী বৈশাখীকে। 

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, শোভনবাবু সাক্ষী হিসেবে তাঁকে নিয়ে এসেছিলেন। শোভন চট্টোপাধ্যায়কে এদিনের মামলার বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি জানান বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে আদালতে। আগামী ৩০ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন স্থির রয়েছে।

এদিনের শুনানিতে শোভনের হয়ে সাক্ষ্য হিসেবে হলফনামা জমা দিয়েছেন শোভনের বান্ধবী বৈশাখী। রত্নাও এদিন আদালতে গিয়েছিলেন। শোভনের স্ত্রী রত্না বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক। এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, মামলা চলছে চলুক। কিন্তু তিনি ডিভোর্স দেবেন না। আগামী ৩০ জানুয়ারি ফের এই মামলার শুনানির দিন ঠিক হয়েছে।

এদিনের শুনানি শেষে শোভন বলেন, ‘বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা অনেক দিন ধরে পেন্ডিং। আমার ক্রস এক্সামিনেশন শেষ হয়েছে। পারিবারিক বন্ধু হিসেবে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় এসেছিলেন। তিনি অনেক কিছু দেখেছেন। তার সবটা তিনি আদালতে হলফনামা আকারে জমা দিয়েছেন এবং আদালত তা গ্রহণ করেছে।’

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় আদালত চত্বরে দাঁড়িয়েই সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘শোভন ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বৈবাহিক জীবনের টানাপড়েনের আমি সাক্ষী। অনেক কিছু দেখেছি এবং শুনেছি। সাক্ষী হিসেবে যতটুকু জানি ততটুকু কোর্টকে সাহায্য করেছি।’

সেইসঙ্গে রত্নার বিরুদ্ধে লোকজন নিয়ে এসে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেছেন বৈশাখী। পাল্টা রত্না বলেন, ‘ওঁর সঙ্গে কলকাতা পুলিশের গার্ড আছে, বাউন্সার রাখেন। আমি এমএলএ । আমি সিকিউরিটি ছাড়া ঘুরি। আমি যদি কলকাতা পুলিশ ও বাউন্সারদের ভয় দেখাতে পারি তাহলে তো আমার থেকে বড় মস্তান কলকাতা শহরে আর নেই!’ 

আরও পড়ুন-এবার খড়দায় অধ্যাপকের ফ্ল্যাটে নোটের পাহাড়, ৩২ লক্ষ টাকা নগদ

 

POST A COMMENT
Advertisement