scorecardresearch
 

ভ্যাকসিন দাও, ইলিশ নাও! টিকা ক্ষোভের জেরেই কি বাংলাদেশ পাঠাচ্ছে না ইলিশ?

ভ্যাকসিন পাঠায়নি ভারত। আর তার ক্ষোভেই কি এপার বাংলায় ইলিশ রফতানি বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ? উঠছে এমনই প্রশ্ন। বাংলাদেশের প্রায় ১৪ লাখ মানুষ ভারতের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছে। কিন্তু এখনও সেখানে দ্বিতীয় ডোজ পাঠানো হয়নি। করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে টিকার এমনিতেই চাহিদা অনেক।

হাইলাইটস
  • টিকা ক্ষোভের জেরেই কি বাংলাদেশ পাঠাচ্ছে না ইলিশ?
  • উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন
  • বাংলাদেশে এখন ভ্যাকসিন পাঠাচ্ছে না ভারত

ভ্যাকসিন পাঠায়নি ভারত। আর তার ক্ষোভেই কি এপার বাংলায় ইলিশ রফতানি বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ? উঠছে এমনই প্রশ্ন। বাংলাদেশের প্রায় ১৪ লাখ মানুষ ভারতের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছে। কিন্তু এখনও সেখানে দ্বিতীয় ডোজ পাঠানো হয়নি। করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে টিকার এমনিতেই চাহিদা অনেক। এই অবস্থায় নতুন করে পড়শি দেশে টিকা পাঠানো সম্ভব নয়। মনে করা হচ্ছে তার ক্ষোভের জের এসে পড়েছে ইলিশ রফতানিতে। আনন্দবাজার প্রত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে ইলিশ রফতানি বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ। গত বছর জামাইষষ্ঠীর সময়ে তবুও বাংলাদেশ থেকে ২ টন ইলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এ বছর জামাইষষ্ঠীতে সেটাও আসেনি। ফলে বাংলার বাজারে ইলিশের তেমন একটা দেখা পাওয়া যায়নি।

চলতি বছরের মার্চ মাসেই ঢাকা সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। জানা গিয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠকে টিকা বণ্টনের বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়। কিন্তু তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রবল বেগে আছড়ে পড়ে। এর পরেই পড়শি দেশগুলিতে বাংলাদেশ, নেপাল, ভূটানে টিকা পাঠানো বন্ধ রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।  অন্যদিকে বাংলাদেশের যুক্তি, ভারতের কাছ থেকে আশ্বাস পাওয়ার পরে তারা চিনকে ফিরিয়ে দেয়। ভারতের থেকে করোনা প্রথম ডোজ সেই দেশের ১৪ লাখ মানুষ নিয়েছে। দিল্লি কবে দ্বিতীয় ডোজ পাঠাবে সেই বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নয় ঢাকা। তাই বাধ্য হয়ে ফের চিনের সঙ্গে করোনার ডোজ নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসেছে বাংলাদেশ। ফলে মোটা টাকাও দিতে হচ্ছে চিনকে।

আর এই ক্ষোভই ইলিশের উপর এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। যেখানে ২০২০ সালের জামাইষষ্ঠীতে বাংলাদেশ কিছুটা ইলিশ দিয়েছিল এপার বাংলাকে। কিন্তু চলতি বছরে কিছুই দেয়নি। ফলে জামাইষষ্ঠীর দিন অনেক বাড়িতে ইলিশই ওঠেনি। বাজারে যা পাওয়া গিয়েছিল তা প্রচুর দাম ছিল। ফলে বলাই যায়, ভ্যাকসিনের সংঘাতের জেরে ঘুরপথে জামাইষষ্ঠীতে ইলিশ বঞ্চিত থেকে গেল অধিকাংশ বাঙালি।