Bankra Masjid Controversy: বাঁকড়া মসজিদে নমাজ পড়া হল না সিদ্দিকুল্লাহদের, ঠিক কী পরিস্থিতি?

এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। অপারেশনাল জোনের ভিতরে মসজিদটির চারপাশে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মসজিদ চত্বর ঘিরে রাখা হয়।

Advertisement
বাঁকড়া মসজিদে নমাজ পড়া হল না সিদ্দিকুল্লাহদের, ঠিক কী পরিস্থিতি?বাঁকড়া মসজিদ বিতর্ক

নমাজ না পড়েই বাঁকড়া মসজিদ থেকে বেরিয়ে চলে গেলেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা বাঁকড়া মসজিদ কমিটির সভাপতি সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। কলকাতা বিমানবন্দরে মসজিদ বিতর্ক সিদ্দিকুল্লাহ তাঁর প্রতিবাদ প্রত্যাহার করে নেন। এরপর নিজের গাড়িতে বাঁকড়া ছেড়ে চলে যান। বিমানবন্দরের কাছে নিজের বাসভবন ছেড়ে বেরিয়ে যান। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে জানা যায়। 

অশান্তি এড়াতে স্থানীয় ইমামের সঙ্গে পুলিশ এসে কথা বলেন। পুলিশ জানায় মসজিদে নামাজ পড়ার অনুমতি নেই। যেহেতু ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে, তাই তাঁদের অন্যত্র নামাজ পড়তে হবে।

বাঁকড়া মসদজিদে আর নমাজ পড়া হবে না। নমাজের স্থান পরিবর্তন করল মসজিদ কমিটির। মসজিদও অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে।

এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। অপারেশনাল জোনের ভিতরে মসজিদটির চারপাশে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মসজিদ চত্বর ঘিরে রাখা হয়।

কলকাতা বিমানবন্দর চত্বরে থাকা বাঁকড়া মসজিদ ঘিরে তুমুল বিতর্ক চলছে। এতদিন বিমানবন্দরের ৭ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকে সেখানে নমাজ পড়া যেত। এখন সেই রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে বাঁকড়া মসজিদ কর্তৃপক্ষ। ক্ষোভে ফুঁসছেন তাঁরা। এর প্রতিবাদে আজ রাস্তায় বসে নমাজ পড়ার ডাক দেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।

(ছবি: অর্ঘ্য ঘোষ)

বাঁকড়া মসজিদ কমিটি অভিযোগ জানায়, আকস্মিক বিমানবন্দরের ৭ নম্বর গেট বন্ধ করে দেওয়ায় সাধারণ মানুষ মসজিদে যেতে পারছেন না। এই বিষয়ে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এয়ারপোর্ট অথরিটিকে আবার চিঠি দেওয়া হবে। আমরা চাই নমাজ চলুক। যদি মসজিদ জোর করে ভাঙা হয়, তবে রাজ্যের মানুষ এর চরম প্রতিবাদ করবে।” অন্যদিকে, কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, বিমানবন্দর চত্বরে নিরাপত্তার খাতিরে ৭ নম্বর গেটটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। নিরাপত্তায় মুড়িয়ে ফেলা হয়। শেষ পর্যন্ত নমাজ পড়ার স্থান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় মসজিদ কমিটি।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement