Bartir Bill: বারাসতে বর্তির বিলের ভোল বদলে যাবে, 'অ্যাকোয়া বায়োডায়ভার্সিটি পার্ক', ঠিক কী প্ল্যান?

Bartir Bill Aqua Biodiversity Park: বর্তির বিলকে গড়ে তোলা হবে 'অ্যাকোয়া বায়োডায়ভার্সিটি পার্ক' হিসেবে। প্রতি বছরই বর্ষার শেষে জলে এই বিলে অসংখ্য মাছ থাকে। এই জলাভূমিটির চারপাশের প্রায় ৭ কিলোমিটার রাস্তা সবুজায়নের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করা হয়েছে।

Advertisement
বারাসতে বর্তির বিলের ভোল বদলে যাবে, 'অ্যাকোয়া বায়োডায়ভার্সিটি পার্ক', ঠিক কী প্ল্যান?কৃষ্ণচূড়ায় সাজবে শাপলার দেশ- বর্তির বিল
হাইলাইটস
  • উত্তর ২৪ পরগনার নতুন পর্যটন স্থল বর্তির বিল ঘিরে এবার বড় পরিকল্পনা করছে সরকার।
  • বিশাল বিলকে এবার পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে উদ্যোগ নিচ্ছে প্রশাসন।
  • বর্তির বিলকে 'অ্যাকোয়া বায়োডায়ভার্সিটি পার্ক' হিসেবে গড়ে তোলার কথা ভাবা হচ্ছে।

উত্তর ২৪ পরগনার নতুন পর্যটন স্থল বর্তির বিল ঘিরে এবার বড় পরিকল্পনা করছে সরকার। বারাসত ও বারাকপুরের মাঝে এই বিশাল বিলকে এবার পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে উদ্যোগ নিচ্ছে প্রশাসন। জানা যাচ্ছে,  বর্তির বিলকে 'অ্যাকোয়া বায়োডায়ভার্সিটি পার্ক' হিসেবে গড়ে তোলার কথা ভাবা হচ্ছে।

কোভিড পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে উত্তর ২৪ পরগনার ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের কাছে অন্যতম গন্তব্য হয়ে উঠেছে এই বর্তির বিল। ব্যস্ত সময়ের মাঝে বিকেলবেলা এই এলাকায় কাটাতে বর্তির বিলে ভিড় জমান কয়েকশো মানুষ। ফলে আমডাঙা ব্লকের বেড়াবেড়িয়া পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় সাড়ে ৪৫০ একরজুড়ে থাকা এই জলাভূমির নাম এখন ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দক্ষিণবঙ্গেই।

শাপলার দেশে প্রি ওয়েডিং ফটোশুট

বিশেষ করে প্রি-ওয়েডিং এর ফটোশুটের জেরে বর্তির বিল এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। প্রতিদিনই বহু যুগল তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবন শুরু করার আগের ফটোশুট করতে আসেন এই বর্তির বিলেই। নৌকা সফর করতে করতেই চলে ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি। আরও অনেক জায়গায় বিল থাকলেও, বর্তির বিলের বিশেষত্ব হল, এই বিল জুড়ে থাকে সাদা ও লাল রঙের শাপলা, শালুকের মতো ফুল। ফলে ছবির মতো এই সুন্দর জায়গাটি প্রতি বছর পুজোর আগেই হয়ে ওঠে ভাইরাল।

প্রশাসনের ঠিক কী পরিকল্পনা?

বর্তির বিলকে 'অ্যাকোয়া বায়োডায়ভার্সিটি পার্ক' হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে প্রসাসন। প্রতি বছরই বর্ষার শেষে জলে এই বিলে অসংখ্য মাছ থাকে। এছাড়াও, পুজোর সময় থেকেই  পরিযায়ী পাখিরাও এই বিল এলাকায় ভিড় জমায়। এই বিষয়গুলিকে ধরে রেখেই 'অ্যাকোয়া বায়োডায়ভার্সিটি পার্ক' গড়ে তুলতে চায় প্রশাসন।

এই উদ্যোগের আওতায় জলাভূমিটির চারপাশের প্রায় ৭ কিলোমিটার রাস্তা সবুজায়নের কাজ ইতিমদ্যেই শুরু করা হয়েছে। আগামী ৩-৪ বছরে প্রায় ৩,০০০ দেশীয় ও পরিবেশবান্ধব গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আপাতত এই কর্মসূচিটি ৫০টি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা দিয়ে শুরু হয়েছে। 

Advertisement

স্থানীয়রা চাইছেন, পর্যটনের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে এই এলাকায় কৃষি, মৎস্য ও জলাভূমির জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় থাকুক এবং একই সঙ্গে সন্ধ্যায় মাদক ব্যবহার ও অবৈধ বিক্রি নিয়ে ওঠা উদ্বেগগুলোরও সমাধান করা হোক। যদিও সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই ওই এলাকায় প্রায়ই ঝটিকা অভিযানও করছে পুলিশ।

 

POST A COMMENT
Advertisement