অভিষেকের ওপর হামলা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন বিকাশঅভিষেকের ওপর হামলা আসলে 'রাজনৈতিক মেরুকরণে'র কৌশল। এমনটাই মত সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের। তাঁর যুক্তি, বিরোধী পরিসর বামেদের হাতে চলে যাচ্ছে। তাই তৃণমূলকে ভাসিয়ে রাখার এটা কৌশল।
bangla.aajtak.in-কে ফোনে বিকাশ বলেন,'লড়াইটা এখন মুখোমুখি আরএসএস বনাম বাম। তাই তৃণমূলের মতো দলকে অক্সিজেন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এটাকে জনরোষ বলে চালিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। '। বলে রাখি, একই কথা শোনা গিয়েছে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের মুখেও।
প্রণিধানযোগ্য, ২০১৯ সালে রাজ্যে বিজেপির উত্থানের পর থেকে বিরোধী পরিসর দখল করেছিল তারাই। একটাই রাজনৈতিক ভাষ্য ছিল, হয় তৃণমূল, না হয় বিজেপি। যার অভিঘাতে ২০২১ সালে বিধানসভা এবং ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে একটাও আসন পায়নি সিপিএম। এবার সাকুল্যে একটা। কিন্তু 'টার্নিং পয়েন্ট' ফলতা পুনর্নির্বাচনের ফল। সিপিএম উঠে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে। উজ্জীবিত বামশিবির। হকার উচ্ছেদ, বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার মতো ঘটনায় পৌঁছে যাচ্ছেন সিপিএমের নেতা-কর্মীরা। এমতাবস্থায় অভিষেকের উপর হামলাকে গেরুয়া শিবিরের সুর্নিদিষ্ট কৌশল হিসেবেই দেখছেন সিপিএম নেতারা। তাঁরা মনে করছেন, বিরোধী আসনে সিপিএম থাকলে বিজেপির মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। তুলনায় ভোটারদের 'তাজা স্মৃতি'তে দুর্নীতিতে অভিযুক্ত তৃণমূল বিরোধী পরিসরে থাকা অনেক বেশি সুবিধের।
এ তো গেল রাজনীতির গুরুপাঠ। বিকাশকে মোক্ষম প্রশ্নটা করলেন bangla.aajtak.in-এর প্রতিনিধি। অভিষেকের হয়ে মামলা লড়বেন? সাবধানী বিকাশ। বলেন,'কাল্পনিক প্রশ্নের কোনও উত্তর হয় না। কে কার কাছে যাবেন, সেটা আমি বলতে যাব কেন। এটা তিনিই ঠিক করবেন। এ ব্যাপারে কিছু বলা অনৈতিক। আমি গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে এবং মানবাধিকার রক্ষার পক্ষে। এই জায়গা থেকে বামপন্থীদের কেউ বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। আর আমাকে তো পারবেই না। ওখানে পুলিশ ছিল না কেন? পুরোটা আসলে সাজানো'।