মিলন প্রধানের রক্ষাকবচ নিয়ে নির্দেশ দিল না কলকাতা হাইকোর্টনন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের মামলা নিয়ে বড়সড় আপডেট। হাত শিবিরের প্রার্থী এদিন একাধিক মামলায় রক্ষকবচ চেয়ে দ্বারস্থ হয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের। কিন্তু সেই সংক্রান্ত মামলায় কোনও নির্দেশই দিল না আদালত।
মিলন প্রধান বর্তমানে ৫টি মামলার জেরে জেল হেফাজতে রয়েছেন। তবে তার নামে আরও ৬টি মামলা ছিল। অর্থাৎ মোট ১১টি মামলায় নাম জড়িয়েছিল নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীর। বাকি ৬টি মামলায় যাতে তাঁকে গ্রেফতার করা না হয়, সেই দিকে নজর রেখেই এদিন কলকাতা হাইকোর্টে রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন। তবে কলকাতা হাইকোর্ট এই সংক্রান্ত কোনও নির্দেশ দেয়নি।
কেন কলকাতা হাইকোর্ট কোনও নির্দেশ দেয়নি?
হাইকোর্টে পুলিশ জানিয়েছে, মিলন প্রধানের নামে বাকি যে ৬টি মামলা ছিল, তার মধ্যে ৫টি আগেই প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপর একটি মামলাতেও FIR-এ নাম নেই মিলন প্রধানের। ফলে এই ৬টি মামলার ক্ষেত্রেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করবে না। তাই গ্রেফতারির যখন কোনও প্রশ্ন নেই, তখন রক্ষাকবচ দেওয়ারও কোনও যুক্তি নেই।
আপাতত জেল হেফাজতেই থাকছেন মিলন প্রধান
এই ৬টি মামলায় গ্রেফতারির আশঙ্কা না থাকলেও, বর্তমানে অন্য ৫টি মামলার জেরেই জেল হেফাজতে রয়েছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী। ভোটের আগের দিন অর্থাৎ ৫ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে কাঁথি আদালত।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার ১৯ বছরের পুরনো মামলায় পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা রয়েছে। ১৯ বছরের পুরনো মামলায় এতদিন পর তাঁকে গ্রেফতার করা নিয়ে রাজনৈতিক তর্ক দামনা বেঁধেছে। কংগ্রেসের দাবি, ভয় পেয়েছে বিজেপি। যদিও পদ্ম শিবির এমন অভিযোগ ও দাবি মানতে নারাজ। বরং নন্দীগ্রামে দেড় লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয়ের দাবি করেছেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ।