Jahangir Khan : জাহাঙ্গিরের রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করল হাইকোর্ট, 'পুষ্পা'র গ্রেফতারিতে বাধা রইল না পুলিশের

শুনানির সময় জাহাঙ্গিরের আইনজীবী জানান, তাঁদের সময়ের প্রয়োজন। ফলে ফের মামলা ওঠে দুপুরে। সেই শুনানিতে আদালত নির্দেশ দেয়, যতগুলি মামলার এফআইআর ছিল মামলাকারীর বিরুদ্ধে সবগুলি থেকেই রক্ষাকবচ তুলে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আর নতুন করে পাবেন না। 

Advertisement
জাহাঙ্গিরের রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করল হাইকোর্ট, 'পুষ্পা'র গ্রেফতারিতে বাধা রইল না পুলিশের জাহাঙ্গির খান
হাইলাইটস
  • জাহাঙ্গির খানের সব রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করল কলকাতা হাইকোর্ট
  • এই রক্ষাকবচ বাতিলের জেরে আর তাঁকে পুলিশের গ্রেফতারিতে আর কোনও বাধা রইল না

তৃণমূল নেতা তথা ফলতার এক সময়ের বেতাজ বাদশা জাহাঙ্গির খানের সব রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করল কলকাতা হাইকোর্ট। এই রক্ষাকবচ বাতিলের জেরে আর তাঁকে পুলিশের গ্রেফতারিতে আর কোনও বাধা রইল না। 

আগামিকাল বুধবার পর্যন্ত রক্ষাকবচ ছিল জাহাঙ্গিরের। তার আগেই আজ মামলা ওঠে হাইকোর্টে। ফলতা বিধানসভার পুনর্নির্বাচনের আগে তিনি রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন। বিচারপতি পার্থসারথি সেন মামলার শুনানিতে জনান, মামলাকারীর বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত করতে পারবে। সেক্ষেত্রে কেন রক্ষাকবচ রাখা হবে? 

এদিকে শুনানির সময় জাহাঙ্গিরের আইনজীবী জানান, তাঁদের সময়ের প্রয়োজন। ফলে ফের মামলা ওঠে দুপুরে। সেই শুনানিতে আদালত নির্দেশ দেয়, যতগুলি মামলার এফআইআর ছিল মামলাকারীর বিরুদ্ধে সবগুলি থেকেই রক্ষাকবচ তুলে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আর নতুন করে পাবেন না। 

সূত্রের খবর, জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে মোট সাতটি এফআইআর দায়ের হয়েছিল। সেই সব মামলায় আগাম গ্রেফতারি এড়াতেই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে ফের রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন তিনি। তবে আদালত আজ তা নাকচ করে দেয়। 

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ জাহাঙ্গির খানকে ফলতার বেতাজ বাদশা বলা হত। তিনিই নাকি অভিষেকের হয়ে ডায়মন্ডহারবার লোকসভার ভোট পরিচালনা করতেন। সেই জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে ভোটে দুর্নীতি, কারচুপি করার অভিযোগ থাকায় তাঁকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট অজয় পাল শর্মা। 'সিংঘম' নামে পরিচিত সেই পুলিশ আধিকারিককে পাল্টা দিয়ে নিজেকে 'পুষ্পা' বলেছিলেন তিনি। 

তবে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোটে ফলতা কেন্দ্রে ব্যাপক কারচুপি হয়। তার ফলে সেখানে ভোট বাতিল করা হয়। এদিকে পুনর্নির্বাচনের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে ঘোষণা করেন যে, তিনি এই ভোটে লড়বেন না। সেজন্য তৃণমূল কংগ্রেস থেকে তাঁকে ভর্ৎসিত করা হয়। 

এদিকে ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, এক সময় যাঁর ভয়ে বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত সেই জাহাঙ্গির ভোট পাওয়ার নিরিখে চার নম্বরে নেমে আসেন। ১ লাখেরও বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী।  

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement