Chandrima Bhattacharya: সপুত্র ঋতব্রত তৃণমূলে, নেত্রীর কোন কথায় দায়িত্ব ছাড়লেন চন্দ্রিমা?

আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে যখন তখন আর সেখানে থাকার কোনও প্রশ্ন ওঠে না। স্পষ্ট এমনটা জানিয়ে তৃণমূলের সমস্ত পদ ছেড়ে দিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। একইসঙ্গে তিনি যোগ দিলেন ঋতব্রতপন্থী শিবিরে। কী কথা হয়েছিল মমতার সঙ্গে?

Advertisement
সপুত্র ঋতব্রত তৃণমূলে, নেত্রীর কোন কথায় দায়িত্ব ছাড়লেন চন্দ্রিমা?বিধানসভার অন্দরে চন্দ্রিমা
হাইলাইটস
  • 'আমার আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে'
  • তৃণমূলের পদ কেন ছাড়লেন চন্দ্রিমা?
  • মমতা কী এমন বলেছিলেন তাঁকে?

ছেলের পথে হেঁটে এবার মা-ও ঋতব্রতদের শিবিরে নাম লেখালেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছিল। সেই জল্পনায় সিলমোহর ফেলে দুপুরেই তিনি যোগদান করলেন ঋতব্রতদের টিমে। সন্দীপন সাহা এবং তাঁর পুত্র সৌরভের সঙ্গেই এদিন তাঁকে বিধানসভা থেকে হেঁটে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। 

নেত্রীর কোন কথায় দায়িত্ব ছাড়লেন চন্দ্রিমা?
ফিরহাদ হাকিম এবং অরূপ বিশ্বাসও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম বিশ্বস্ত দুই সহকর্মী ছিলেন। তাঁরা আগেই মমতার হাত ছেড়ে যোগ দিয়েছেন ঋতব্রতপন্থীদের শিবিরে। এবার তিনিও সেই পথেই পা বাড়ালেন। দিদির বিশ্বাসভাজন, দুঃসময়ে পাশে থাকা চন্দ্রিমা শনিবার সাংবাদিকদের বলেন, 'আমার আনুগত্য প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়েছে। ব্যর্থতা আমার। আমার কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই।'

উল্লেখ্য, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাইপাসের ধারের তৃণমূল ভবনের দখল নিয়ে নেয় ঋতব্রত অ্যান্ড টিম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টার সরিয়ে ফেলা হয়। তালা ঝোলানো হয় মেইন গেটে। ঠিক তার কিছুক্ষণ আগেই চন্দ্রিমা সেই ভবন ছেড়ে বেরিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, তাঁকে এই ঘটনার জন্য দোষারোপ করা হয়। 

চন্দ্রিমা বলেন, 'আমি ঠিক সময়েই ওখান থেকে বেরিয়েছিলাম। আমার ঘরে কেউ আসেনি। কোনও বিধায়ক আমার সঙ্গে কথা বলতে আসেনি। প্রতিদিন যতক্ষণ থাকি, ততক্ষণই কাল ছিলাম। মাননীয়া নেত্রী আমায় বলেন, আমি নাকি ওদের হাতে ভবন তুলে দিয়েছি। এই কথায় আমার দুঃখ লেগেছে। আমার বিশ্বাসযোগ্যতা এবং আনুগত্য প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বিশ্বাসই তো শিকড়। বিশ্বাস নড়ে গেলে আর সেখানে থাকা যায় না।'  

 

POST A COMMENT
Advertisement