ফিরহাদ হাকিমবিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের বিরুদ্ধে সই জালের অভিযোগ উঠেছে। সেই তদন্তের গতি আরও বাড়াল CID। বৃহস্পতিবার রাতেই কলকাতা পোর্টের বিধায়ক ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে গেলেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
CID তদন্তভার হাতে নেওয়ার পরই একাধিক তৃণমূল বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তাঁদের বয়ানও নথিবদ্ধ করা হয়েছে বলে খবর। সেই তদন্তের অংশ হিসেবে আজ ক্যানিং পূর্বের বাহারুল ইসলাম, হাওড়া মধ্যের অরূপ রায় এবং মহেশতলার শুভাশিস দাস তাঁদের হাতের লেখার নমুনা জমা কলকাতার নগরদায়রা আদালতে।
ঘটনার সূত্রপাত তৃণমূলের পরিষদীয় দলের স্পিকারকে চিঠি দেওয়াকে ঘিরে। সেই চিঠিতে দলেরই বিধায়কদের সই জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তার তদন্ত শুরু করে করে CID। অভিযোগ, সেই চিঠিতে ফিরহাদ হাকিমের সই ছিল। ইতিমধ্যেই চৌরঙ্গির বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটার কুণাল ঘোষের বাড়িতে সিআইডি-র দল গিয়েছিল। তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।
এদিকে এই সইকাণ্ডের জেরেই তৃণমূল কংগ্রেসে অচলাবস্থা শুরু হয়ে যায়। বিধায়কদের সই জাল করা হয়েছে এই অভিযোগে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর দ্বারস্থ হন তৃণমূলেরই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনই স্পিকারকে চিঠি দেন। তার ভিত্তিতে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেন স্পিকার।
এদিকে এর বিরোধিতা করতে থাকেন মমতার শিবিরের বিধায়করা। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন,ঋতব্রতকে দল থেকেই সাসপেন্ড করা হয়েছ। তাই তাঁকে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেওয়া আইনত কি?