মুকুন্দপুরে মমতা TMC ও BJP কর্মীদের সংঘর্ষ, আক্রান্ত হুমায়ুন-উপাসনা

তবে পুরো ঘটনার অন্য ছবি তুলে ধরেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, মিছিলের ভিডিও করছিলেন এমন এক বিজেপি কর্মীকে ধরে মারধর করা হয়। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার দাবি করেন, ওই কর্মী মিছিলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে ধরে মারধর করা হয়।

Advertisement
মুকুন্দপুরে মমতা TMC ও BJP কর্মীদের সংঘর্ষ, আক্রান্ত হুমায়ুন-উপাসনা মুকুন্দপুরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ
হাইলাইটস
  • উপাসনার অভিযোগ, দলের কয়েকজন কর্মী জখম হয়েছেন
  • তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে

মুকুন্দপুরে মিছিল ঘিরে উত্তেজনা। পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে মমতা তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ। দফায় দফায় উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। দুই পক্ষের সংঘর্ষে 
তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক তথা আইপিএস অফিসার হুমায়ুন কবির এবং উপাসনা চৌধুরী জখম হয়েছেন। 

মমতা তৃণমূল গোষ্ঠীর কর্মীদের অভিযোগ,তাঁদের পার্টি অফিস জোর করে দখল করে বিজেপি। সেই কার্যালয় পুনরুদ্ধার এবং ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে মিছিল বের করেন তাঁরা। মিছিল শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয় বলে অভিযোগ। পরে তা হাতাহাতিতে গড়ায়।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বেশ কিছুক্ষণ উত্তেজনা ছিল।  মমতা তৃণমূলের কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের মিছিলের উপর হামলা চালানো হয়। তাঁদের আরও দাবি, মহিলা কর্মীদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। যুবনেত্রী উপাসনার উপর ইট বর্ষণ চলে। 

উপাসনার অভিযোগ, দলের কয়েকজন কর্মী জখম হয়েছেন এবং তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, মহিলা কর্মীদের ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে মারধর করে বিজেপি কর্মীরা। শারীরিক হামলাও চালানো হয়। 

তিনি বলেন, 'আমাদের কর্মীরা জখম হয়েছেন, হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। মহিলাদের ফেলে দিয়ে মারধর করা হয়েছে। আমার ওড়না টেনে ধরেছিল দুষ্কৃতীরা।' 

তবে পুরো ঘটনার অন্য ছবি তুলে ধরেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, মিছিলের ভিডিও করছিলেন এমন এক বিজেপি কর্মীকে ধরে মারধর করা হয়। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার দাবি করেন, ওই কর্মী মিছিলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে ধরে মারধর করা হয়। দেবজিৎ সরকারের বক্তব্য, মমতা তৃণমূলের তরফে বিজেপির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, মিছিলের ভিডিও করার সময়ই ওই বিজেপি কর্মীর উপর হামলা চালানো হয়েছে।

ঘটনার জেরে মুকুন্দপুর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। পুলিশের লাঠিচার্জের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement