Suvendu Adhikari Janatar Darbar: কবে-কখন বসবে শুভেন্দুর 'জনতার দরবার'? কীভাবে মিলবে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ?

সোমবার থেকেই শুরু হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবার। এদিন BJP-র বিধাননগর কার্যালয়ে জনতার দরবার বসেছিল। এবার থেকে কবে, কখন বসবে এই দরবার? সেখানে পৌঁছবেনই বা কীভাবে?

Advertisement
 কবে-কখন বসবে শুভেন্দুর 'জনতার দরবার'? কীভাবে মিলবে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ? শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবার
হাইলাইটস
  • শুরু হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর জনতার দরবার
  • কবে, কখন বসবে এই দরবার?
  • সেখানে পৌঁছবেনই বা কীভাবে?

শুরু হওয়ার কথা ছিল ১ জুন থেকে। তবে সোমবার থেকেই মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতে দরবার বসিয়ে ফেললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। চালু হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবার। কীভাবে এই দরবারে পৌঁছতে পারবেন আপনিও? 

জনতার দরবার
এদিন BJP-র বিধাননগর কার্যালয়ে জনতার দরবার বসেছিল। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং শশী অগ্নিহোত্রী। এই দরবারে এদিন ৫০ থেকে ৬০ জন নিজেদের অভাব অভিযোগ নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। তবে তাঁদের সঙ্গে হওয়া কথোপকথোনের গোপনীয়তা বজায় রাখতে চেয়েছেন শুভেন্দু। জানা গিয়েছে, মূলত বিভিন্ন নিয়োগ দুর্নীতির কারণে যাঁরা চাকরি হারিয়েছেন অথবা মেধা থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাননি, এ দিনের দরবারে তাঁরাই ছিলেন সিংহভাগ সাক্ষাৎপ্রার্থী। 

কীভাবে আবেদন করা যাবে জনতার দরবারে?
 প্রথম 'জনতার দরবার' বসল সল্টলেকে BJP-র দফতরে। জানানো হয়েছে, এবার থেকে প্রতি সোমবারই বসবে এই জনতার দরবার। বদলাতে পারে ভেন্যু। প্রতি সোমবার সকাল ১০টায় মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন মুখ্যমন্ত্রী। কীভাবে দরবারে পৌঁছবেন সাধারণ মানুষ, তা নিয়ে খুব শীঘ্রই এই গাইডলাইন প্রকাশ করতে চলেছে BJP। 

তবে মানুষের অভাব-অভিযোগ কোনও ফোন-কলের মাধ্যমে নয়, সামনে থেকেই সরাসরি শুনবেন শুভেন্দু। একবারে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে জানানোর প্ল্যাটফর্ম, এই 'জনতার দরবার'। 

এদিন জনতার দরবারে আসা এক তরুণী নার্স সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী সময় দিয়ে তাঁদের সবকথা শুনেছেন। এটা অনেকটাই তাঁদের আশ্বস্ত করছে। তাঁরা স্বস্তি অনুভব করছেন।

কীভাবে কাজ হবে?
এই দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে প্রতি সপ্তাহেই থাকবেন রাজ্য প্রশাসনের ২ জন উচ্চপদস্থ আধিকারিক। এই দরবারে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা ও অভিযোগ সরাসরি শোনা এবং দ্রুত তার নিষ্পত্তি করা হবে। অভিযোগ পেয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে সেগুলি পাঠিয়ে দেওয়া হবে। 

BJP শাসিত একাধিক রাজ্যে ইতিমধ্যেই জনতার দরবার কর্মসূচি বাস্তবায়িত করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়, দিল্লি। 

এর আগে পশ্চিমবঙ্গে এমন মডেলের কোনও নজির নেই। বাম আমলে মুখ্যমন্ত্রী কিংবা কোনও দফতরের মন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে বা অভাব অভিযোগ জানাতে সংশ্লিষ্ট অফিসে যেতে হত মানুষকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলেও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার জন্য কোনও কর্মসূচি চালু হয়নি। তবে ২০১৬ সালে 'দিদি কে বলো' বলে একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি নিজেদের অভাব-অভিযোগ ও সমস্যার কথা খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে জানাতে পারতেন। তবে অভিযোগ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সমস্যার কোনও সুরাহা হত না। তবে এবার জনতার দরবারে কোনও কার্যালয় বা আধিকারিকের মাধ্যমে নয়, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিজেদের সমস্যার কথা বলতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement