'চাইলেই প্রোমোটিং করতে পারতেন',মল্লিক বাড়ির পুজো দেখে মুগ্ধ শুভেন্দু, প্রশংসায় ভরালেন রঞ্জিতকে

নবমীতে চোরবাগানকাণ্ডে নিহতদের বাড়ি যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাতে নিউটাউন ও পানিহাটিতে পুজো মণ্ডপেও দেখা যায় তাঁকে। এর মাঝেই সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে 'দশেরা'র রাবন দহন অনুষ্ঠানে হাজির হন তিনি। এদিন সল্টলেকে স্বাস্থ্য ভবনের কন্ট্রোল রুমও পরিদর্শন করেন তিনি। এরমধ্যে সময় করে ভবানীপুরের মল্লিক বাড়ির পুজোতেও গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। । নবমীর সন্ধ্যায় অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের আমন্ত্রণে সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুজো দেওয়ার পাশাপাশি মল্লিক বাড়িতে নাড়ুও খান মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
 'চাইলেই প্রোমোটিং করতে পারতেন',মল্লিক বাড়ির পুজো দেখে মুগ্ধ শুভেন্দু, প্রশংসায় ভরালেন রঞ্জিতকেরঞ্জিত মল্লিককে দরাজ সার্টিফিকেট শুভেন্দুর

নবমীতে চোরবাগানকাণ্ডে নিহতদের বাড়ি যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাতে নিউটাউন ও পানিহাটিতে পুজো মণ্ডপেও দেখা যায় তাঁকে। এর মাঝেই সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে 'দশেরা'র রাবন দহন অনুষ্ঠানে হাজির হন তিনি। এদিন সল্টলেকে স্বাস্থ্য ভবনের কন্ট্রোল রুমও পরিদর্শন করেন তিনি। এরমধ্যে সময় করে ভবানীপুরের মল্লিক বাড়ির পুজোতেও গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। । নবমীর সন্ধ্যায় অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের আমন্ত্রণে সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুজো দেওয়ার পাশাপাশি মল্লিক বাড়িতে  নাড়ুও খান মুখ্যমন্ত্রী। 

রঞ্জিত মল্লিকের আমন্ত্রণে মল্লিক বাড়িতে
কলকাতার অন্যতম নামকরা বনেদি বাড়ির পুজো মল্লিক বাড়ির পুজো। নবমীর রাতে সেখানেই ঢুঁ মারেন মুখ্যমন্ত্রী। আরতি করে, প্রসাদও খেলেন। মল্লিক বাড়ি থেকে বেরিয়ে বললেন, 'রঞ্জিত মল্লিক মহোদয় আমায় ডেকেছিলেন মহানায়কের শতবর্ষে। বলেছিলেন, আমার বাড়িতে দুর্গাপুজো হয় আপনি জানেন তো?  আমি বললাম, হ্যাঁ, টিভিতে দেখি। উনি বললেন, আপনি আসবেন। এর সঙ্গে কোয়েলের কোনও যোগ নেই। ওঁ এখন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ, কিন্তু আমায় রঞ্জিত মল্লিক ডেকেছেন। অত্যন্ত বিশিষ্ট মানুষ।'

মল্লিক বাড়ির পুজোর প্রশংসা
ভবানীপুরের মল্লিক বাড়ির দুর্গাপুজো ১০২ বছরে পা দিয়েছে এবার। বাড়ির ঐতিহ্য ও পরম্পরা ধরে রাখার প্রসঙ্গ তুলে রঞ্জিত মল্লিকের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজো দেখে বেরনোর সময় বাড়ির আতিথেয়তার কথাও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। নারকেল নাড়ু খাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘এই বাড়ির ঐতিহ্যের এতটুকু বদল ঘটেনি। এই ঐতিহ্য বাংলার থাকুক।’ এর পরেই রঞ্জিত মল্লিকের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘রঞ্জিত মল্লিক চাইলেই প্রোমোটিং করতে পারতেন। এখনও কিছু ব্যক্তি রয়েছেন, যাঁরা ঐতিহ্য ও পরম্পরার সঙ্গে আপস করেন না। তার মধ্যে রঞ্জিত মল্লিক একজন।’  উৎসবের আবহে শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যে শহরের পুরনো বাড়ি ও পারিবারিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রসঙ্গও সামনে এল।

কী বললেন শুভেন্দু?
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'আমি রঞ্জিত মল্লিকের আমন্ত্রণে এসেছি। এর সঙ্গে কোয়েলের কোনও সম্পর্ক নেই। হ্যাঁ, কোয়েল এখন বিজেপি রাজ্যসভার... তবে আমাকে মাননীয় রঞ্জিত মল্লিক বলেছিলেন। তিনি অত্যন্ত বিশিষ্ট মানুষ। অনেক মানুষরা এসেছেন তার বাড়িতে এবং ভবিষ্যতেও আসবেন। উনি বলেছিলেন আমার বাড়িতে আপনি দুর্গা পুজোয় আসবেন। আমি খুব সারাদিন ব্যস্ত ছিলাম, এখন আমি এখানে এলাম। নারকেল নাড়ু খেলাম। পুরনো বাড়ির ঐতিহ্য আছে, এতটুকু বদল ঘটায়নি। '

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর আগমনে খুশি অভিনেত্রী তথা বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ কোয়েল মল্লিকও। বাড়ির পুজোর ঐতিহ্য ও পারিবারিক বন্ধনের প্রসঙ্গ তুলে অভিনেত্রী বলেন, 'উনি নাড়ু খেয়েছেন, আরতি করেছেন। খুব ভাল লাগল। মুখ্যমন্ত্রীর কথা টেনেই বলছি, আমাদের বাড়ির যে ঐতিহ্য রয়েছে সেটা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে, যার পুরো কৃতিতটাই মল্লিক পরিবারের সদস্যদের। পুরোনো যৌথপরিবারের মানসিকতাটা এখনও আমাদের রয়েছে। খুব ভাল লাগল, উনি এসেছেন।'                                                          

POST A COMMENT
Advertisement