scorecardresearch
 
 

কলকাতায় চলবে CNG বাস, বেঙ্গল গ্যাসের সঙ্গে চুক্তি পরিবহণ নিগমের

ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) আরও বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ই-বাস নিয়ে উদ্যোগ নিয়েছি। এরপর আমরা এবার সিএনজি (CNG) বাস চালুর দিকে এগোলাম।

ফিরহাদ হাকিম ফিরহাদ হাকিম
হাইলাইটস
  • কলকাতায় চলবে সিএনজি জ্বালানির বাস
  • পরিবেশ দূষণ কমাতে এই উদ্যোগ নিয়েছে পরিবহণ দফতর
  • সোমবার কলকাতায় এ ব্যাপারে বেঙ্গল গ্য়াস কম্পানির সঙ্গে সমঝোতাপত্র সই করল রাজ্য পরিবহণ নিগম

কলকাতায় চলবে সিএনজি (CNG) জ্বালানির বাস। পরিবেশ দূষণ কমাতে এই উদ্যোগ নিয়েছে পরিবহণ দফতর। সোমবার কলকাতায় এ ব্যাপারে বেঙ্গল গ্য়াস কম্পানির সঙ্গে সমঝোতাপত্র সই করল রাজ্য পরিবহণ নিগম (West Bengal Transport Corporation বা WBTC)। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।

এদিন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) বলেন, ওই কাজের জন্য তৈরি হচ্ছে সিএনজি (CNG) স্টেশন। আগামী ছ'মাসের মধ্যে প্রথমটি তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে। এর দু'টি সুবিধা পাওয়া যাবে। একটি হল বাস চালানোর খরচ কমে যাবে। আর এর পাশাপাশি কমবে বায়ু দূষণও।

ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) আরও বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ই-বাস নিয়ে উদ্যোগ নিয়েছি। এরপর আমরা এবার সিএনজি (CNG) বাস চালুর দিকে এগোলাম। উল্লখ্য, কলকাতা এবং নিউটাউনে বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবা শুরু করে দিয়েছে রাজ্য।

এদিন রাজ্য পরিবহণ নিগম ((West Bengal Transport Corporation)-এর ম্যানিজিং ডিরেক্টর রজনবীর সিং কাপুর এবং বেঙ্গল গ্যাসের সিইও সত্যব্রত বৈরাগীর মধ্যে ওই চুক্তি সই হয়। কলকাতার কসবায় পরিবহণ দফতরের অফিসে এই উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এর ফলে বাস চালানোর খরচ ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। সেইসঙ্গে বায়ু দূষণ অনেকাংশে কমানো যেতে পারে।

রাজ্য পরিবহণ নিগমের বাসগুলি ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থার মধ্যে আনা হবে। এখন সেগুলি ডিজেলে চালানো হয়। রাজ্য পরিবহণ নিগম এবং বেঙ্গল গ্যাসের মধ্যে ৫ বছরের চুক্তি সই হয়েছে।

বেঙ্গল গ্যাস সিএনসি কেন্দ্র তৈরির কাজ করবে। সেগুলি তৈরি হবে নিগমের জমিতে। ঠিক করা হয়েছে ৮টি ডিপোয় সেগুলি তৈরি করা হবে।

কোন কোন ডিপোয়
হাওড়া, বিধাননগর, ঠাকুরপুকুর, নীলগঞ্জ, বেলঘড়িয়া, সাঁতরাগাছি এবং করুণাময়ীতে সেগুলি তৈরি করা হবে। এর পাশাপাশি কসবাতেও ওই পরিষেবা চালু করার কথা ভাবা হয়েছে।

এই প্রকল্পে বেঙ্গল গ্য়াস প্রতিটি বাস ডিপোয় সাড়ে ৩ কোটি টাকা করে লগ্নি করবে। এক ঘণ্টায় ১৫টি বাসে ওই জ্বালানি ভরা যাবে। 

এদিকে, সিএনজি (CNG) আপাতত রাজ্য় পরিবহণ নিগমের বাসের ক্ষেত্রে চালু হচ্ছে। এর ব্যবহারের ফলে সুবিধা হতে পারে বেসরকারি বাস-মিনিবাস মালিকেদেরও। কারণ জ্বালানির দাম গত কয়েকদিন হু হু করে বেড়েছে।

তারা ইতিমধ্যে একাধিকবার ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। দাবি মানা না-হলে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। এর মাঝে সিএনজি-তে গাড়ি চালালে জ্বালানি বাড়লেও তাঁদের সমস্যা বিশেষ হবে না বলে মনে করা হচ্ছে।