CPIM Bookstall: বামেদের বুকস্টল 'ভাঙচুর', শমীক বললেন, 'চিনি না'

দুর্গাপুজোর মধ্যে একাধিক জায়গায় বামেদের বুকস্টলে হামলার অভিযোগ উঠেছে। পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বইয়ের স্টল। কিন্তু শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, অভিযুক্তদের সঙ্গে BJP-র কোনও সম্পর্ক নেই।

Advertisement
বামেদের বুকস্টল 'ভাঙচুর', শমীক বললেন, 'চিনি না'বামেদের বুকস্টল ভাঙচুর নিয়ে কী বললেন শমীক
হাইলাইটস
  • বামেদের বুকস্টলে হামলার অভিযোগ উঠেছে
  • পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বইয়ের স্টল
  • শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, অভিযুক্তদের সঙ্গে BJP-র সম্পর্ক নেই

দুর্গাপুজোর মধ্যে একাধিক জায়গায় বামেদের বুকস্টলে হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকুরিয়ায় মার্ক্সীয় ও প্রগতিশীল পুস্তক বিক্রয় কেন্দ্র ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েচে। এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়া চারা পোলে CPIM-এর বুকস্টলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। অন্যদিকে, নোয়াপাড়ায় বুকস্টল ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বাম নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায়। BJP-র যদিও দাবি, নিজেরাই এ সব করে তাদের বদলাম করছে বামেরা। 

উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়া চারা পোল এলাকায় CPIM-এর বুকস্টল রাতের বেলা পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। গার্গী চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'আমাদের পার্টি অফিসের সামনে বুকস্টল ছিল। সেটা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুড়িয়ে দিলেও আমাদের বই বিক্রি বন্ধ করা যাবে না। রাতের অন্ধকারে জানোয়াররা বের হয়। ওরাও তেমন রাতে স্টল পোড়াতে বের হয়।' এই অভিযোগ অস্বীকার করে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা সহ সভাপতি প্রিয়াংগু পাণ্ডে। তিনি জানান, নিজেরাই আগুন ধরিয়ে ভাঙচুর করে BJP-কে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। BJP কোনও বুকস্টল ভাঙেনি।  রাষ্ট্রবাদী বিচারধারার সঙ্গে যাঁরা থাকবেন, বন্দে-মাতরমকে যাঁরা সম্মান দাঁড়াবেন তাঁদের সম্মান জানানো হবে বলেও বলেন এই নেতা। কিন্তু যাঁরা দেশের কথা বলে না, ভারতীয় জনতা পার্টি তাঁদের কোনও কথা বলবে না।

বুকস্টল ভাঙা-পোড়ানো নিয়ে BJP রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'কোনও স্টল ভাঙচুরে BJP দূর দূর পর্যন্ত নেই। অতীতে CPIM তাণ্ডব চালিয়েছে, তারপর TMC এসেছে, কিছু CPIM তৃণমূল হয়ে গিয়েছিল। এবার কিছু হঠাৎ BJP হয়েছে। তারা গিয়ে পুরনো রাগ মেটাচ্ছে। আমি এদের চিনি না।'

এদিকে, বনগাঁয় বামেদের বুকস্টল খোলার অনুমতি দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। কিন্তু সেই নির্দেশ খারিজ হয়ে গেল। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এটা জমি সংক্রান্ত বিষয়। তাই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বিচার্য বিষয় নয়।বনগাঁয় বইয়ের স্টল দিতে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তুলে রাজ্য সরকার ও পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বামেরা। তাদের অভিযোগ, যশোর রোডে পার্টি অফিসের কাছেই প্রতি বছর দুর্গাপুজোর সময়ে স্টল দেয় তারা। কিন্তু এ বারে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। অথচ একই এলাকায় হিন্দু জাগরণ মঞ্চকে স্টল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। 

Advertisement

এই মামলায় CPIM-কে পার্টি অফিসের ১০০ মিটারের মধ্যে স্টল তৈরির অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। পাশাপাশি শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনেরও নির্দেশ দেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে আপত্তি জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করে রাজ্য সরকার। তাদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট জমিটি পূর্ত দফতরের অধীন। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতিরা জানিয়েছেন, বিষয়টা জমি সংক্রান্ত। তাই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এই মামলা শোনার এক্তিয়ার নেই।  

 

POST A COMMENT
Advertisement