Dengue: বাংলায় ডেঙ্গিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি, পুজোর মাসকেই হাই রিস্ক হিসেবে চিহ্নিত

পুজোর মাস হাই রিস্ক পিরিয়ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ডেঙ্গির ক্ষেত্রে। রাজ্যের ডেঙ্গি পরিসংখ্যান রীতিমতো চমকে দিচ্ছে। আশঙ্কা বাড়াচ্ছে প্রতিদিনের সংক্রমণ। কী পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য?

Advertisement
বাংলায় ডেঙ্গিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি, পুজোর মাসকেই হাই রিস্ক হিসেবে চিহ্নিত
হাইলাইটস
  • পুজোর মাস হাই রিস্ক পিরিয়ড
  • ডেঙ্গি পরিসংখ্যান রীতিমতো চমকে দিচ্ছে
  • আশঙ্কা বাড়াচ্ছে প্রতিদিনের সংক্রমণ

পুজো দোরগোড়ায়। উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠার প্রস্তুতি চলছে। আর তার মাঝেই কপালে ভাঁজ ফেলছে রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি। মূলত অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসকে ডেঙ্গির জন্য 'হাই রিস্ক' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই অতি ঝুঁকিপূর্ণ সময়ের মধ্যে ডেঙ্গি মোকাবিলার জন্য কী কী পদক্ষেপ করছে প্রশাসন?

সমস্ত জেলাকে পুজোর মরশুমে ডেঙ্গি নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। এই মর্মে সোমবারই নবান্নে জেলাশাসকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন তিনি। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ডেঙ্গি দমনে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। 

পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যের পুজোর ঠিক আগের ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন  করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেই ডেঙ্গির প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত জেলা মুর্শিদাবাদ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। একইসঙ্গে রয়েছে নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনা। 

ডেঙ্গির গ্রাফ এখন ঊর্ধ্বমুখী। গত ৬ অগাস্ট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিস ২৪১০ জন। এক মাসের মধ্যে ১০ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে পৌঁছয় ৪৬৭৯-এ। ২৬ সেপ্টেম্বরের পরিসংখ্যান বলছে, এই মুহূর্তে রাজ্যে ডেঙ্গির কবলে ৭৩২০ জন। প্রতিদিন গড়ে দেড়শোর বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। ১১ সেপ্টেম্বর নতুন করে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৪৯ জন। ২৪ সেপ্টেম্বর নতুন করে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২১৩ জন। 

প্রশাসনের মতে, বর্ষা বিদায় নেওয়ার পরই রাজ্যে ডেঙ্গির দাপট সবচেয়ে বেশি থাকে। এবারও তার অন্যথা হয়নি। আর তাই পুজোর সময়ে এই সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত রুখতে আগাম সতর্কতা অবলম্বন করছে প্রশাসন। স্বাস্থ্য, পুর ও পঞ্চায়েত সহ সমস্ত দফতরকে একযোগে মাঠে নেমে কড়া নজরদাড়ি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

কোথাও যাতে জল জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে না পারে তার জন্য সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করতে বলা হয়েছে। নিয়মিত সমস্ত এলাকা পরিষ্কার করা, মশার লার্ভা ধ্বংস করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর উপর জোর দিতে বলেছে নবান্ন। 

Advertisement

 

TAGS:
POST A COMMENT
Advertisement