ED Raid: কলকাতার ৮টি জায়গায় ED-র ব্যাপক অভিযান, কোন মামলায় অ্যাকশন?

ED Money Laundering Case: আর্থিক তছরুপের মামলায় শহরের ৮টি জায়গায় তল্লাশি অভিযানে নামল ইডি। ঠিক কী অভিযোগ? তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

Advertisement
কলকাতার ৮টি জায়গায় ED-র ব্যাপক অভিযান, কোন মামলায় অ্যাকশন?
হাইলাইটস
  • সোমবার সকালে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
  • টালিগঞ্জ, শরৎ বোস রোড-সহ কলকাতার ৮ জায়গায় এই অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
  • কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করে সেই অর্থ রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন এবং অন্যান্য ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছিল।

আর্থিক তছরুপের একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সোমবার সকালে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। টালিগঞ্জ, শরৎ বোস রোড-সহ কলকাতার ৮ জায়গায় এই অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এদিন দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জ এবং শরৎ বসু রোডের আশপাশের কয়েকটি জায়গা-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হয়। আর্থিক জালিয়াতির সন্দেহ এবং বিপুল মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহের অভিযোগের তদন্ত আরও জোরদার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

অভিযোগ, চিটফান্ডের মাধ্যমে টাকা তুলে তা নির্মাণ সংস্থা-সহ অন্যান্য ব্য়বসায় লাগানো হয়েছে। সেই ঘটনায় ঠিক কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, গত সেপ্টেম্বরে এই মামলায় ১৭ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ।

ইডি সূত্রে দাবি, অভিযোগ অনুযায়ী, কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করে সেই অর্থ রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন এবং অন্যান্য ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছিল। এক ইডি আধিকারিক সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, “ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেইলেসর মাধ্যমে  আর্থিক নথি এবং লেনদেন সংক্রান্ত কাগজপত্র আমাদের আধিকারিকরা যাচাই করছেন। অর্থের গতিপথ খুঁজে বের করা এবং  অনিয়মের ঘটনায় কোনও ব্যক্তি বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য ভূমিকা নির্ধারণ করাই এর উদ্দেশ্য।” তিনি জানান, এর আগে চালানো অভিযান থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ইডি এই তল্লাশি চালিয়েছে।

উল্লেখ্য বিষয় হল, সোমবারের এই তল্লাশির আগে গত মাসে কলকাতা-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইডির আধিকারিকরা একই ধরনের একাধিক অভিযান চালিয়েছিলেন। সেই সময় মোট ১৭টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। সন্দেহভাজন আর্থিক জালিয়াতির পরিমাণ নির্ধারণ এবং লেনদেনের মাধ্যমে কারা লাভবান হয়ে থাকতে পারেন, তা চিহ্নিত করতে ওই অভিযানে আর্থিক লেনদেনের সূত্র খতিয়ে দেখেছিলেন তদন্তকারীরা।

 

POST A COMMENT
Advertisement