কলকাতায় BJP কার্যালয় থেকে উদ্ধার অপহৃত বাবা-ছেলে, দলের সঙ্গে কানেকশন ওড়াল গেরুয়া শিবির

নরেন্দ্রপুর থেকে অপহৃত এক ১৭ বছরের কিশোর ও তার বাবাকে বিজেপি নির্বাচনী কার্যালয় থেকে উদ্ধার করল পুলিশ। অভিযুক্তদের সঙ্গে দলের কোনও সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে বিজেপি।

Advertisement
কলকাতায় BJP কার্যালয় থেকে উদ্ধার অপহৃত বাবা-ছেলে, দলের সঙ্গে কানেকশন ওড়াল গেরুয়া শিবিরকলকাতায় BJP অফিস থেকে উদ্ধার 'কিডন্যাপ' হওয়া বাবা-ছেলে
হাইলাইটস
  • ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ জনকে।
  • ওই বিল্ডিংটি বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হত।
  • অভিযুক্তরা কীভাবে ওই ভবনে প্রবেশ করেছিল, সে বিষয়ে দলের কোনও ধারণা নেই।

ফের কলকাতায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা। এবার নরেন্দ্রপুর থেকে অপহৃত এক ১৭ বছরের কিশোর এবং তার বাবাকে কলকাতায় বিজেপির কার্যালয়-সহ-গুদামঘর থেকে উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ জনকে। তবে স্থানীয় এক বিজেপি কর্মীর দাবি, অভিযুক্তরা কীভাবে ওই ভবনে প্রবেশ করেছিল, সে বিষয়ে দলের কোনও ধারণা নেই। জানা গিয়েছে ওই বিল্ডিংটি বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হত। অন্য সময় দলীয় পতাকা, আসবাবপত্র ও প্রচারসামগ্রী রাখার গুদাম হিসেবেও ব্যবহার করা হত।

পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার নরেন্দ্রপুর এলাকা থেকে ওই বাবা-ছেলেকে অপহরণ করা হয়। পরিবারের দাবি, অপহরণের কিছুক্ষণ পরই তাদের কাছে ফোন করে বাবা-ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এরপরেই পুলিশের দ্বারস্থ হয় পরিবার।

এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, "মুক্তিপণের ফোন পাওয়ার পরই পরিবার নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। মামলা রুজু করে একাধিক তদন্তকারী দল গঠন করা হয়। প্রযুক্তিগত তথ্য এবং ধারাবাহিক তদন্তের ভিত্তিতে আমরা অপরাধীদের অবস্থান খুঁজে বার করে অপহৃতদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।"

পুলিশের অভিযানের অংশ হিসেবে পরিবারকে মুক্তিপণ দাবিকারীদের জানাতে বলা হয়, টাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই কৌশলের মাধ্যমে তদন্তকারীরা দক্ষিণ কলকাতার রবীন্দ্র সরোবর থানার অন্তর্গত মনোহরপুকুর রোডের একটি বাড়ির সন্ধান পান।

পরে পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শাটার খুলে বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করে। টনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধের উদ্দেশ্য এবং প্রত্যেক অভিযুক্তের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তে দাবি, বাবা-ছেলেকে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ওই বাড়িতে আটকে রাখা হয়েছিল। সেই সময় তাঁদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। 

অন্যদিকে, অভিযুক্তদের সঙ্গে দলের কোনও সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে বিজেপি। দলের এক স্থানীয় কর্মী জানান, ভবনটি মূলত গুদামঘর এবং অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Advertisement

স্থানীয় এক বিজেপি নেতার দাবি, " যতদূর জানি, ধৃতরা স্থানীয় দুষ্কৃতী, তাদের সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই। তারা তালা ভেঙে অথবা ডুপ্লিকেট চাবি ব্যবহার করে ঢুকে থাকতে পারে। পুলিশি তদন্তে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।"


 

 

POST A COMMENT
Advertisement