FIR Against Abhishek Banerjee 2026: উস্কানিমূলক মন্তব্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুমকির অভিযোগ, অভিষেকের বিরুদ্ধে FIR

FIR Against Abhishek Banerjee 2026: জানা গিয়েছে, গত ৫ মে, অর্থাৎ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ঠিক পরের দিনই বাগুইআটি থানায় প্রথম লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন ওই সমাজকর্মী। তাঁর অভিযোগ, ভোট চলাকালীন বিভিন্ন নির্বাচনী জনসভা ও প্রচারের মঞ্চ থেকে একের পর এক বিতর্কিত ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

Advertisement
উস্কানিমূলক মন্তব্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুমকির অভিযোগ, অভিষেকের বিরুদ্ধে FIRঅভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ছবি)

FIR Against Abhishek Banerjee 2026: রাজ্যে নির্বাচনী হাওয়া থিতিয়ে আসতেই এক চাঞ্চল্যকর আইনি মোড়। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) রুজু করল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। রাজ্য পুলিশের ইতিহাসে সম্ভবত এই প্রথমবার ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে এমন কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হলো। রাজীব সরকার নামে এক সমাজকর্মীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ এই মামলা দায়ের করেছে।

জানা গিয়েছে, গত ৫ মে, অর্থাৎ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ঠিক পরের দিনই বাগুইআটি থানায় প্রথম লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন ওই সমাজকর্মী। তাঁর অভিযোগ, ভোট চলাকালীন বিভিন্ন নির্বাচনী জনসভা ও প্রচারের মঞ্চ থেকে একের পর এক বিতর্কিত ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। নিজের এই দাবির সপক্ষে অভিষেকের বেশ কিছু বিতর্কিত বক্তৃতার ভিডিও ফুটেজ এবং ডিজিটাল লিঙ্ক পুলিশের হাতে প্রমাণ হিসেবে তুলে দিয়েছেন রাজীববাবু।

প্রাথমিক তদন্ত ও অভিযোগের গুরুত্ব খতিয়ে দেখে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার সিদ্ধান্ত নেয়। অভিষেকের বিরুদ্ধে মোট ৫টি ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর তিনটি ধারা এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের দুটি ধারা। সংশ্লিষ্ট ধারাগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি ধারা জামিন অযোগ্য (Non-bailable) হওয়ায় আইনি জটিলতা বাড়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

ভোটের ফল প্রকাশের পর যখন নতুন সরকার গঠনের তোড়জোড় এবং রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের খেলা চলছে, ঠিক সেই আবহেই রাজ্য পুলিশের এই অতি-সক্রিয়তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। স্বভাবতই এই ঘটনায় জোর শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। তবে এই এফআইআর প্রসঙ্গে জোড়াতালির রাজনীতি বা আইনি লড়াই নিয়ে জোড়াফুল শিবিরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক বা আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement