ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দিলেনআরও একটি ধাক্কা খেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় যখন বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে তৈরি নতুন তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা দিয়ে দিয়েছেন স্পিকার, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই কলকাতার মেয়র পদে ইস্তফা দিয়ে দিলেন ফিরহাদ হাকিম। ফিরহাদের এই ইচ্ছেতে সম্মতি জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।
কিছুদিন ধরেই চাইছিলেন মেয়র পদে ইস্তফা দিতে
গত ৪ মে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর থেকেই কলকাতা পুরসভার একের পর এক তৃণমূল কাউন্সিলর ইস্তফা দিতে শুরু করেন। বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারও করা হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস দলটিও ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে নতুন তৃণমূল কংগ্রেস। এই রকম ডামাডোল পরিস্থিতিতে ফিরহাদ হাকিম বেশ কিছুদিন ধরেই চাইছিলেন মেয়র পদে ইস্তফা দিতে। দলের একটি সূত্রের খবর, তিনি কয়েক দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের ইস্তফার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।
একের পর এক পুরসভার বোর্ড ভেঙে পড়ছে
পুরভোট হওয়ার কথা ডিসেম্বরে। কিন্তু তার আগেই দেখা যাচ্ছে, একের পর এক পুরসভার বোর্ড ভেঙে পড়ছে। এই তালিকায় সংযোজন কলকাতা পুরসভাও। মেয়রের ইস্তফা মানে আস্ত পুরবোর্ডটাই ভেঙে যাওয়ার সামিল। সে ক্ষেত্রে দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পুরবোর্ড গঠনের প্রস্তুতি নিতে হবে। কিন্তু যতদিন না নির্বাচন হচ্ছে, ততদিন কলকাতার মেয়র পদ কে সামলাবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন রয়েই গেল। সামনেই বর্ষাকাল। কলকাতায় বহু জায়গায় ব্যাপকজল জমে। সে ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার উপর গুরু দায়িত্ব।
মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন মমতা
তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ সংবাদমাধ্যমেক বলেন, 'ফিরহাদ হাকিম আমাদের দলনেত্রীর কাছে বারবার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। শেষের দিন আমিও ছিলাম। কথা হয়। তিনি বলেন যা পরিস্থিতি তাতে কাজ করা যাচ্ছে না। আমাদের দলনেত্রী সবদিক বিবেচনা করে ফিরহাদ হাকিমের যাতে কোও অমর্যাদা যাতে না হয় তাঁর সম্মান রক্ষার্থে তাঁকে মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।'