Galiff Street-এর ভবিষ্যৎ কী? রবিবার বন্ধই রইল হাট, অপেক্ষা আদালতের নির্দেশের

৪ অক্টোবর রবিবার খাঁ খাঁ করছে গালিফ স্ট্রিট। দোকান বসেনি মাছের, পাশাপাশি ফাঁকা ছিল পাখির চত্বরও। এমনকী গাছের মার্কেটেও ব্যবসায়ীদের টিকি পাওয়া যায়নি। সকাল থেকেই টহল দিয়েছে পুলিশও।

Advertisement
গালিফ স্ট্রিটের ভবিষ্যৎ কী? রবিবার বন্ধই রইল হাট, অপেক্ষা আদালতের নির্দেশেরএই রবিবারেও খাঁ খাঁ করছে গালিফ স্ট্রিট
হাইলাইটস
  • স্বাভাবিক হল না কলকাতার গালিফ স্ট্রিট।
  • ৪ অক্টোবর কার্যত সকাল থেকেই খাঁ খাঁ করল গালিফ স্ট্রিট।
  • মাছ-পাখি কোনও দোকানই এদিন বসেনি। এমনকী প্রায় ফাঁকা ছিল গাছ সংলগ্ন জায়গাও।

শুরুটা হয়েছিল ২০ সেপ্টেম্বর, রবিবার। তারপর মাঝে একটা রবিবার কেটে আজ দ্বিতীয় রবিবার। কিন্তু এখনও স্বাভাবিক হল না কলকাতার গালিফ স্ট্রিট। ৪ অক্টোবর কার্যত সকাল থেকেই খাঁ খাঁ করল গালিফ স্ট্রিট। মাছ-পাখি কোনও দোকানই এদিন বসেনি। এমনকী প্রায় ফাঁকা ছিল গাছ সংলগ্ন জায়গাও।

আজ রবিবার গালিফ স্ট্রিটের হাট বন্ধ নাকি খোলা?

সকাল ৭টায় হাটে গিয়ে দেখা গিয়েছে বন্ধ রয়েছে বাজার। সামান্য কয়েকজন বিক্রেতাকে ইতিউতি দেখা গেলেও, তাঁদের পসরা বেশি ছিল না। এমনকি গালিফ স্ট্রিটের শেষে থাকা, গাছের দোকানও এদিন প্রায় চোখেই পড়েনি। গলির মধ্যে অল্প কয়েকজন বিক্রেতা কিছুক্ষণের জন্য গাছ নিয়ে এসেছিলেন, কিন্তু তাঁরাও বেশিক্ষণ ছিলেন না বলে এক ক্রেতা দাবি করেছেন। ফলে সব মিলিয়ে এদিন সকালবেলা কার্যত শুনশান ছিল রবিবার গমগম করা গালিফ স্ট্রিট।

গালিফ স্ট্রিট বন্ধ কেন?

অভিযোগ একাধিক আইনকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে এতদিন গালিফ স্ট্রিটে অবাধে চলেছে প্রাণী কেনাবেচা। কিন্তু এনিয়ে ২০২০ সালে কলকাতা হাইকোর্ট একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি নাগাদ সেই মামলায় হাইকোর্ট বাজার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। বলা হয় শুধুমাত্র বৈধ লাইসেন্স থাকলেই ব্যবসা করা যাবে। কিন্তু, হাট হওয়ায়, নির্দিষ্ট দোকান না থাকায় বহু ব্যাবসায়ীরই ট্রেড লাইসেন্সও নেই। ফলে হাট প্রায় উঠে যেতে বসেছে।

এবার কী হবে?

আগামী ৬ অক্টোবর অর্থাৎ মঙ্গলবার রয়েছে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এই দিন আদালতের তরফে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। যাতে বৈধ ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে চাইছেন ব্যবসায়ীরা। 

উল্লেখ্য বিষয় হল, ইংরেজ আমল থেকে চালু হওয়া এই হাট বহু পুরনো পোষ্য বাজার। তবে আগে এই হাট বসত হাতিবাগান এলাকায়। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সাল নাগাদ যানজটের কারণে  গলিফ স্ট্রিটে সরিয়ে দেওয়া হয় হাট। তখন থেকে সেখানেই প্রতি রবিবার করে এই হাট বসে। সেই হাটেই এবার বেআইনি বেচা কেনা নিষিদ্ধ করতে পদক্ষেপ নিয়েছে আদালত। 

Advertisement


 

POST A COMMENT
Advertisement