Humayun Kabir: মমতাকে MLA বানাতে তৈরি 'বাবরি' হুমায়ুন, বলছেন, 'রেজিনগর থেকে জিতিয়ে আনব'

২টি আসন থেকে বিপুল ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন। সেই হুমায়ুন কবীর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভায় পাঠানোর প্রস্তাব দিলেন। তিনি বলেন, 'দিদি যদি আমায় এসে বলেন আমি তাঁর বিধানসভায় ঢোকার ব্যবস্থা করে দিতে পারি।'

Advertisement
মমতাকে MLA বানাতে তৈরি 'বাবরি' হুমায়ুন, বলছেন, 'রেজিনগর থেকে জিতিয়ে আনব'হুমায়ুন কবীর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
হাইলাইটস
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভায় পাঠানোর প্রস্তাব
  • প্রস্তাব দিলেন তৃণমূল থেকে একসময়ে সাসপেন্ড হওয়া হুমায়ুন
  • রেজিনগর আসন থেকে তাঁকে উপনির্বাচনে দাঁড় করাতে চান

তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন। ভোটের আগে নিজের পৃথক দল গড়েন। ২টি আসন থেকে বিপুল ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন। সেই হুমায়ুন কবীর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভায় পাঠানোর প্রস্তাব দিলেন। 

রেজিনগর এবং নওদা, দুই কেন্দ্র থেকেই জিতেছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। দ্বিতীয় আসনটি থেকেই বিধায়ক হিসেবে শপথ নিয়েছেন। আর তাই নিজের ছাড়া রেজিনগর আসনের উপনির্বাচনে মমতাকে জিতিয়ে বিধানসভায় নিয়ে যেতে উদ্যোগী হুমায়ুন কবীর। 

আজ তক-কে হুমায়ুন কবীর বলেন, 'আজকের দিনে বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢোকা বা থাকাটা আবশ্যক ছিল। তাঁর থাকা উচিত। সেক্ষেত্রে মমতা যদি বিধানসভায় আসতে চান এই বয়সে, তাহলে আমি বলতে পারি, নন্দীগ্রামে তিনি পারবেন না। রেজিনগরে হুমায়ুন কবীর শেষ কথা বলে। তৃণমূলকে আমি ৮১ হাজার ভোটে হারিয়েছি। BJP-কে ৫৯ হাজার ভোটে।' হুমায়ুন আরও বলেন, 'ওই আসনে আমি আবার নির্দ্বিধায় মানুষের সমর্থনে জিতে আসব। নেত্রীর প্রতি আমার দুর্বলতা আছে। তিনি যদি নিজে থেকে আমাকে ডেকে বলেন আমাকে বিধানসভায় যাওয়ার সুযোগ করে দাও, সেক্ষেত্রে আমি অবশ্যই বিধানসভায় ঢোকার ব্যবস্থা করে দেব।'

একসময় হুমায়ুনকে রাজ্যের মন্ত্রী করেছিলেন মমতা। তাহলে কি গুরুদক্ষিণা স্বরূপই মমতাকে বিধানসভায় যেতে সাহায্য করতে চাইছেন দল থেকে সাসপেন্ড হওয়া হুমায়ুন? এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'তিনি আমার সিনিয়র। শুধু গোটা রাজ্যের নেত্রী নন, বাংলার নেত্রী নন, ভারতের একজন উল্লেখযোগ্য নেত্রী।  তিনি ভবানীপুরে হেরে গিয়েছেন। মানুষ হারিয়ে দিয়েছেন। তিনি আসতে চাইলে, আমায় ব্যক্তিগত স্তরে বললে, আমি অবশ্যই ব্যাপারটা দেখব।' মমতাকে জেতানোর বিষয়েও একেবারে নিশ্চিত তিনি। 

তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে তাঁর গলাতেও ক্ষোভের সুর। হুমায়ুনের দাবি, মমতার আচরণ ছিল ধৃতরাষ্ট্রের মতো। বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেও মমতা কখনও কর্ণপাত করেননি। তৃণমূল ভেঙে যাওয়ার পর নওদার বিধায়ক বলেন, 'ধৃতরাষ্ট্রের মতো নিজের ভাইপোকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী করতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমার আগের কথায় কোনও কর্ণপাত করা হয়নি, আজ তার খেসারত দিচ্ছে।'

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement