বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে একগুচ্ছ দাবি পেশ করল যাদবপুরের এসএফআই নেতৃত্ব (প্রতীকি ছবি)যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)-এ অবিলম্বে পঠনপাঠন চালু করতে হবে। এই দাবি তুলেছে যাদবপুরের এসএফআই (SFI)। এর পাশাপাশি তাদের আরও কয়েকটি দাবি রয়েছে। তা পূরণে দুদিন সময় দিয়েছে তারা।
নিজেদের দাবির কথা জানিয়ে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (Vice-Chancellor) সুরঞ্জন দাস (Suranjan Das)-এর কাছে স্মারকলিপি জমা দিল এসএফআই। এই উপলক্ষ্যে এদিন অরবিন্দ ভবনের অভিযানের ডাক দিয়েছিল তারা। পরে অবস্থান-বিক্ষোভও করে।
তবে কর্তৃপক্ষের আশ্বাস পেয়ে তারা অবস্থান তুলে নিয়েছে। উপাচার্যের সঙ্গেও যোগায়োগ হয়েছে। তবে দুদিন সময় দিয়েছে তারা। না হলে ফের আন্দোলনের পথে যাওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
কী কী দাবি তাদের
জানুয়ারি মাস থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)-এ লেখাপড়া চালু করতে হবে। সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে তা চালু করতে হবে। দুদিনের মধ্যে ফাইনাল ইয়ারের সব ছাত্রকে রেজাল্টের হার্ড কপি দিতে হবে। স্নাতক বা স্নাতকোত্তর স্তরে নতুন যাঁরা ভর্তি হয়েছেন বা হচ্ছেন, সবার ফিজিকাল ভেরিফিকেশনের জন্য তারিখ ঘোষণা করে দিতে হবে অবিলম্বে। মাস কমিউনিকেশনের এম.এ. ভর্তির ফিজ আর্টসের বাকি বিভাগগুলির মত একই রাখতে হবে।
স্নাতক স্তরে সিট ফাঁকা রেখে অনলাইন ক্লাস শুরু করা যাবে না। বি.এ., বি.এস সি সহ গ্র্যাজুয়েশন ভর্তির শেষ হবার ডেডলাইন ৩১ ডিসেম্বর অবধি বাড়াতেই হবে। এবং দ্রুত এই প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে যাতে স্কলারশিপের সুযোগ পায় সকলে। এছাড়াও আরও কয়েকটি দাবি রয়েছে তাদের।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আশ্বাস তাদের দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিন বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে ছিলেন না উপাচার্য (Vice-Chancellor)। তিনি অন্য একটি জরুরী কাজে বাইরে ছিলেন। তবে ছাত্র সংগঠনের তরফে তাঁকে ইমেল পাঠানো হয়েছে। তিনি তাদের দাবি খতিয়ে দেখছেন এবং অনেকগুলি পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন।
জানুয়ারি মাস থেকে ক্লাস চালুর করার ব্যাপারে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পড়ুয়াদের নম্বর দেওয়ার বিষয়টি দুদিনের মধ্যে মিটে যাবে। কন্ট্রোলার অফ এক্জামিনেশন তেমনই আশ্বাস দিয়েছেন। নথি যাচাইয়ের ব্যাপারেও রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। মাস কমিউনিকেশনের ভর্তির ব্যাপারে তিনি জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে রিভিউ কমিটির কোনও রিপোর্ট এখনও তিনি পাননি। রিপোর্ট পেলে সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে এবং সেই মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, করোনা অতিমারীর মতো পরিস্থিতিতে সময় তার খরচ যতটা কমানেো সম্ভব, কমানো হবে।