স্বরূপ বিশ্বাস, জুঁই বিশ্বাস তৃণমূল ক্ষমতা থেকে যেতে না যেতেই স্বামী স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেছেন কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। তারপর থেকে তৃণমূলের অন্দরেই চর্চা, স্বামী প্রভাব হারিয়েছেন, সে কারণেই পালাবদলের পর নিজের সেপারেশনের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন জুঁই। এর জবাব দিলেন নিজেই।
bangla.aajtak.in-কে জুঁই বিশ্বাস বলেন, 'এগুলো সব ভুলভাল কথা, মিথ্যে কথা। এমন কোনও অভিযোগের কথা আমায় কেউ বলেনি। সবাই সব কিছু জানত আগে থেকে। দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দও আমার সেপারেশনের কথা জানেন। ২০১৯ সাল থেকে আমরা যে মিউচুয়ালি সেপারেটেড, সেটা আলাদা করে বলার কিছু নেই। চলতি বছরের শুরু থেকেই আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তার সঙ্গে সরকার বদলের কোনও সম্পর্ক নেই। ব্যক্তিগত জীবন এবং পেশাগত জীবন কখনও এক হতে পারে না।'
রাজ্যে পালাবদলের আগে পর্যন্ত, টলিউডের কার্যত সর্বেসর্বা ছিলেন স্বরূপ বিশ্বাস। কিন্তু দল হারার পর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তার মাঝেই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গিয়েছে জুঁই বিশ্বাসকে। আর সেই সঙ্গেই তিনি প্রকাশ্যে আনেন স্বামী স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের বিষয়টিও।
জুঁই বিশ্বাস বলেন, 'সাধারণ মানুষ যতটুকু জানেন, টলিউড সম্পর্কে আমিও ততটুকুই জানি। স্বরূপ বিশ্বাস টলিউডের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, আমার পক্ষে কিছু জানা সম্ভব নয় কারণ আমরা ২০১৯ থেকে মিউচুয়ালি আলাদা থাকি। এই বছরের শুরু থেকে আইনত বিচ্ছেদের প্রসেস শুরু হয়েছে।' জুঁই বিশ্বাস এ-ও জানিয়েছে, ২০১৯ সাল থেকে তাঁকে স্বামীর সঙ্গে এক মঞ্চে কোথাও দেখাও যায়নি। দলীয় কাজের বাইকে স্বরূপের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই বলেও সাফ জানিয়েছেন জুঁই। কোভিডের পর থেকেই তাঁদের দু'জনের ঠিকানা আলাদা।
অন্যদিকে, আজ তক বাংলাকে জুঁই বিশ্বাস বলেছিলেন, 'আমি মেসিকে ঘিরে ছিলাম না, পাশে গিয়ে পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছবি তুলিনি। এক ঝলক মেসিকে দেখতে পেয়েছিলাম। ৩০ মিনিটের মধ্যে একবারই গিয়েছি।' এই নিয়ে শতদ্রু দত্ত নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্ট করেছেন। তিনি সেদিনের ইভেন্টের বেশ কিছু ভিডিও পোস্ট করেছেন, যেখানে জুঁই বিশ্বাসকে মেসির পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে।
এর জবাবে জুঁই বলেন, 'শতদ্রু যা পারে করুক আমার কিছু যায় আসে না। ওঁর কাছে যদি তথ্যপ্রমাণ থাকে যে আমি জোর করে ঢুকেছি, তাহলে আদালতে জানাক। এ ব্যাপারে আমি আর কিছু বলব না।'