Post Poll Violence: CBI তদন্তের নির্দেশ, স্বস্তি মৃত BJP কর্মী অভিজিতের পরিবারে

বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ যখন নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার মামলার রায় ঘোষণা করছে, তখন আদালত চত্বরেই উপস্থিত ছিলেন মৃত বিজেপি কর্মীর দাদা বিশ্বজিৎ সরকার। এদিন কোর্টের নির্দেশ শুনে নতুন করে আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন তিনি।

Advertisement
CBI তদন্তের নির্দেশ, স্বস্তি মৃত BJP কর্মী অভিজিতের পরিবারেকলকাতা হাইকোর্ট (সোশ্যাল মিডিয়া)
হাইলাইটস
  • এবার এই তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধেই কড়া পদক্ষেপ চান মৃত অভিজিৎ সরকারের পরিবার
  • গত ২রা মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন নার্কেলডাঙ্গার বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ
  • বৃহস্পতিবার রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা মামলায় CBI তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট

নিজের ভাইকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ নিয়ে দোষীদের গ্রেফতার এবং ন্যায্য বিচারের দাবিতে ১১৯ দিন ধরে লড়াই করছেন নার্কেলডাঙ্গার বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা মামলায় CBI তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এবার তাই আদালতের রায়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন বিশ্বজিৎ। তাঁর আশা, এবার অন্তত ভাইয়ের আসল খুনিরা ধরা পড়বে। তাঁর দাবি, কলকাতা পুলিশ এতদিনে যা করে দেখাতে পারেনি, এবার সেটাই করে দেখাবে কেন্দ্র তদন্তকারী সংস্থা। 

বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ যখন নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার মামলার রায় ঘোষণা করছে, তখন আদালত চত্বরেই উপস্থিত ছিলেন মৃত বিজেপি কর্মীর দাদা বিশ্বজিৎ সরকার। এদিন কোর্টের নির্দেশ শুনে নতুন করে আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে দাঁড়িয়ে বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, "এই লড়াইটা শুধু আমার একার লড়াই নয়, আমার ভাই বিগত ১১৯ দিন ধরে নিথর দেহে মর্গে শুয়ে  লড়াই করে চলেছে। মহামান্য আদালত আজ বুঝতে পেরেছে, এই নারকেলডাঙ্গা থানা পুলিশ ও তৃণমূলের গুন্ডা যাকে খুন করেছে সেই খুনিরাই খুনের তদন্ত করতে পারে না। তাই মহামান্য আদালত আজ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এতে অভিজিতের আত্মা শান্তি পাবে আজকের পরে।"  

Biswajit_Sarkar

গত ২রা মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন নার্কেলডাঙ্গার বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এরপর এই মামলায় কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তে একে একে গ্রেফতার করা হয়েছে মোট 8 জন অভিযুক্তকে। যদিও মৃতের দাদার অভিযোগ, এফআইআরে ২৯ জনের নাম লেখা হয়েছিল, তার মধ্যে মাত্র ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। প্রভাবশালী যোগ থাকায় বাকীদের আড়াল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

বিশ্বজিতের দাবি, "প্রভাবশালী তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পাল এবং তৃণমূল নেতা স্বপন সমাদ্দারের হাত রয়েছে এই খুনের নেপথ্যে, যদিও তাদের নাম না বলতে ভয় দেখানো হচ্ছে লালবাজার থেকে"। এবার এই তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধেই কড়া পদক্ষেপ চান মৃত অভিজিৎ সরকার এর পরিবার। বিশ্বজিত বলেন, "এতদিন যাদের নাম বলতে দেয়নি লালবাজার, এতদিন যাদেরকে আড়াল করে রাখা হয়েছিল, সিবিআই এবার তাদেরকে গ্রেপ্তার করবে বলে আমি আশাবাদী। এতদিন ধরে কলকাতা পুলিশ খুনের মামলা ধামাচাপা দিতেই কাজ করে গেছে। সিবিআই তদন্ত শুরু করলে এবার আমার ভাইয়ের আসল খুনিরা ধরা পড়বে"।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement