Chorbagan Stampede: 'কেউ অসুস্থ হলে সবার আগে সাহায্য করত', চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু বৈদ্যবাটির শ্রীপর্ণার

Kolkata Chorbagan stampede: চোরবাগানে পদপিষ্টের জেরে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৯ জনের। মৃতের তালিকায় রয়েছেন হুগলির বৈদ্যবাটির বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সী শ্রীপর্ণা পোদ্দার।

Advertisement
'কেউ অসুস্থ হলে সবার আগে সাহায্য করত', চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু বৈদ্যবাটির শ্রীপর্ণারচোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু বৈদ্যবাটির শ্রীপর্ণার
হাইলাইটস
  • এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের।
  • কলেজ ছাত্রী থেকে শুরু করে নার্স- মৃত্যু হয়েছে তরুণীদেরও।
  • পরিবারের একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর বাবা-মা।

চোরবাগানে পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত্যুমিছিল। এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। মৃতদের মধ্যে এক শিশু-সহ মহিলা রয়েছেন ১২ জন। কলেজ ছাত্রী থেকে শুরু করে নার্স- মৃত্যু হয়েছে তরুণীদেরও। পুজো দেখতে এসে আর কোনও দিন বাড়ি ফিরতে পারবেন না হুগলির বৈদ্যবাটির বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সী নার্স শ্রীপর্ণা পোদ্দার। শনিবার রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর পৌঁছতেই বৈদ্যবাটির ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মালির বাগান এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর বাবা-মা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, শ্রীপর্ণা টাটা ক্যানসার সেন্টারে নার্সের চাকরি করতেন। তাঁর বাবার নাম শম্ভুনাথ পোদ্দার। শনিবার সকালে কাজেই এসেছিলেন শ্রীপর্ণা। বাড়িতে বলে এসেছিলেন অফিস সেরে, পুজো দেখে বাড়ি ফিরবেন তিনি। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হল না তাঁর।

শ্রীপর্ণার এক বান্ধবীর কাছ থেকে দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর তাঁর পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা শনিবার রাতেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের উদ্দেশে রওনা দেন। শ্রীপর্ণার অকালমৃত্যুর খবর পেয়ে স্তম্ভিত প্রতিবেশীরা। তাঁদের কথায়, সোনাই (শ্রীপর্ণার ডাক নাম) অত্যন্ত হাসিখুশি এবং মিশুকে স্বভাবের মেয়ে ছিল। বিএসসি নার্সিংয়ের পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করছিলেন। পাড়ায় কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে সাহায্যের জন্য সবার আগে এগিয়ে আসতেন শ্রীপর্ণাই।

এক প্রতিবেশী বলেন, "সকালে ও জানিয়েছিল যে দুর্গাপুজো দেখতে যাবে। রাত প্রায় ন’টা নাগাদ খবর পেলাম, সোনাই আর নেই। আমি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।"

চোরবাগানের ঘটনায় বৈদ্যবাটির মালির বাগান এলাকার শ্রীপর্ণার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর চাঁপদানির বিধায়ক দিলীপ সিং তাঁর বাড়িতে যান। শেওড়াফুলি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশকর্মীরাও সেখানে পৌঁছন। তবে শ্রীপর্ণার বাবা-মা কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে চলে যাওয়ায় বিধায়কের সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়নি।

 

POST A COMMENT
Advertisement