
পুজোর আগে হলুদ-কালো-সাদায় সাজছে কলকাতাদীর্ঘ প্রায় প্রায় ১৫ বছর ধরে কলকাতা শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা থেকে শুরু করে সরকারি বিল্ডিং-এর অনেকগুলিরই রঙ ছিল নীল সাদা। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পরেই এই রঙ বদলের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর ২০২৬ সালের ৪ মে বাংলা সাক্ষী থাকল সরকার বদলের। তারপরে ফের একবার রঙ বদল হচ্ছে কলকাতায়। তৃণমূল জমানার নীল-সাদা রঙ বদলে এবার হলুদ-সাদা-কালোতে সাজছে শহরের মূল রাস্তার ব্যারিকেড ও গার্ডরেলগুলি।
ধর্মতলা এলাকায় আগেই এই কাজ শুরু হয়েছিল। এবার দেখা যাচ্ছে বাইপাস জুড়ে জোরকদমে চলছে রাস্তার দু পাশের রেলিংকে হলুদ-সাদা করার কাজ। পাশাপাশি রাস্তার পাশের সিমেন্টের বর্ডারগুলিকে করা হচ্ছে হলুদ-কালো। এক্সাইড সংলগ্ন এলাকার রাস্তাতেও সিমেন্টের ডিভাইডারের নীল-সাদা রঙ বদলে করা হচ্ছে হলুদ-সাদা রঙ।
কেন এই রঙ বদল করা হচ্ছে?
সরকারের পক্ষ থেকে এই রঙ বদলের পিছনে যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিধি অনুসারেই হচ্ছে এই রঙবদল। বিজ্ঞান বলছে, হলুদ ও কালো রঙের কনট্রাস্ট অন্য রঙের থেকে অনেক বেশি হয়। সেই কারণেই গোটা বিশ্বের ট্রাফিক পরিচালনায় এই রঙের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি।

এমকি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বলছে, হলুদ রঙের পার্শ্বীয় পেরিফেরাল দৃষ্টি অনেক রঙের থেকে বেশি। ফলে এটি সরলরেখায় না থাকলেও এটি অনেক দূর থেকে দেখা যায়। তাই হলুদ রঙ ট্রাফিকের জন্য জরুরি।
রাস্তা মেরামতিতেও জোর দেওয়া হয়েছে
শুধুমাত্র শহরের রঙ বদল নয়। কলকাতার ৭৬টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মেরামতির কাজও চলছে জোরকদমে। দমদম রোড, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, এ পি সি রায় রোড, বেহালা-সহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার উপরিতল মসৃণ করার কাজ চলছে।