Kolkata Metro: রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনে মরণঝাঁপ, কোন পর্যন্ত চলছে পরিষেবা?

কোনওভাবেই মেট্রোয় আত্মহত্যার ঘটনা রুখতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। আজ, বুধবার বিকেল ৪টে ৪৬ মিনিট নাগাদ রবীন্দ্র সরোবর স্টেশনের ডাউন লাইনে এক যাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। ওই যাত্রীকে উদ্ধার করার জন্য পাওয়ার ব্লক করা হয়েছে। বর্তমানে ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত সীমিত পরিষেবা চালু রয়েছে। একথা জানিয়েছে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

Advertisement
রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনে মরণঝাঁপ, কোন পর্যন্ত চলছে পরিষেবা?  ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি।
হাইলাইটস
  • কোনওভাবেই মেট্রোয় আত্মহত্যার ঘটনা রুখতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।
  • আজ, বুধবার বিকেল ৪টে ৪৬ মিনিট নাগাদ রবীন্দ্র সরোবর স্টেশনের ডাউন লাইনে এক যাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।

কোনওভাবেই মেট্রোয় আত্মহত্যার ঘটনা রুখতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। আজ, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে ৪৬ মিনিট নাগাদ রবীন্দ্র সরোবর স্টেশনের ডাউন লাইনে এক যাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। ওই যাত্রীকে উদ্ধার করার জন্য পাওয়ার ব্লক করা হয়েছে। বর্তমানে ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত সীমিত পরিষেবা চালু রয়েছে। একথা জানিয়েছে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ। 

মেট্রোর তরফে জানানো হয়, রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। ডাউন লাইনে ট্রেন ঢোকার ঠিক আগে এক যাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তার স্বার্থে ওই লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। এই ঘটনার জেরে মেট্রো পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটে। আপাতত ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার (টালিগঞ্জ) থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত ভাঙা পথে মেট্রো চলাচল করছে। বাকি অংশে পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, কবি সুভাষ-দক্ষিণেশ্বর লাইনে কলকাতা মেট্রোয় আত্মহত্যার প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে প্ল্যাটফর্মে স্বয়ংক্রিয় দরজা বসানোর কাজ কতদূর এগিয়েছে, তা জানতে সংসদে তিনটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সাংসদ মালা রায়। বুধবার সেই প্রশ্নের লিখিত জবাব দেয় কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রক।

মালার প্রশ্ন ছিল, কলকাতা মেট্রোর প্ল্যাটফর্মে দরজা বসানোর অগ্রগতি কতটা, এই প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং কবে কাজ শেষ হবে। তবে রেলমন্ত্রকের জবাবে এই তিনটি প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি বলে অভিযোগ। বরং প্রথমেই বলা হয়েছে, প্ল্যাটফর্ম চওড়া করার মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এরপর মেট্রোর ইতিহাস ও বিভিন্ন রুটের সমস্যার দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সব স্টেশনেই প্ল্যাটফর্মে দরজা রয়েছে, ফলে সেখানে আত্মহত্যার ঘটনা কার্যত নেই। অথচ পুরনো লাইনে দরজা বসানোর সময়সীমা ও বরাদ্দ নিয়ে এখনও নীরব রেলমন্ত্রক।

 

POST A COMMENT
Advertisement