DCP Santanu Sinha Biswas: জারি হয়েছিল ‘লুক আউট’ নোটিসও, অবশেষে ED-র সামনে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ইডির সামনে হাজিরা দিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ইডির নজরে ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক সমন জারি ছিল।

Advertisement
জারি হয়েছিল  ‘লুক আউট’ নোটিসও, অবশেষে ED-র সামনে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনুঅবশেষে ED-র সামনে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ইডির সামনে হাজিরা দিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ইডির নজরে ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক সমন জারি ছিল।

প্রসঙ্গত, ভোটের ফল প্রকাশের পর ডেপুটি পুলিশ কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের মামলায় আরও সক্রিয় হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই তাঁকে একাধিকবার তলব করেছিল। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত মোট ৫ বার নোটিস পাঠানো হয়েছিল DC-কে। তবে প্রতিবারই হাই-প্রোফাইল সিকিউরিটি অ্যারেঞ্জমেন্টে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি।  শেষপর্যন্ত এদিন ইডির সামনে হাজির হন তিনি।  

 ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস বারবার হাজিরা এড়ানোয়    সরাসরি ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকে চিঠি পাঠিয়েছিল ED। ওই চিঠিতে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস বর্তমানে কোথায় রয়েছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁকে ED দফতরে পাঠানোর জন্যও অনুরোধ জানানো হয়। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ডেপুটি পুলিশ কমিশনারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।   কলকাতা পুলিশের ডিসিপি শান্তনু সিনহার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিসও জারি করে  ইডি। তিনি বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন এই আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। তাই বিমানবন্দর,  স্টেশন-সহ একাধিক এলাকায় লুক আউট নোটিস জারি করা হয়।

সাম্প্রতিক অতীতে  শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছিল ED। সেই তল্লাশির সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘদিন কালীঘাট থানার দায়িত্বে ছিলেন শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস। বর্তমানে তিনি কলকাতা পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার পদে কর্মরত।       

উল্লেখ্য, বঙ্গ ভোটের আবহে ডিসিপি শান্তনুর বাড়িতে হানা দেয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রথমে ফার্ন রোডে ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতে তল্লাশি চলে। সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে ওঠা জমি দখল, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কোনও এক মামলার ভিত্তিতে তল্লাশি চলে। তল্লাশির পরদিনই শান্তনুর দুই পুত্র সায়ন্তন এবং মণীশকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়। যদিও সেদিন কেউ ইডি দফতরে হাজিরা দেননি। এরপর বালি পাচার সংক্রান্ত মামলায় তলব করা হয় ডিসিকে। যদিও সিজিও কমপ্লেক্সে যাননি ডিসিপি। পরিবর্তে যান তাঁর আইনজীবী। অন্য কাজে ব্যস্ততার ফলে সেই মুহূর্তে তাঁর পক্ষে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয় বলেই চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেন পুলিশকর্তা। জানা গিয়েছে, বালি পাচার মামলায় শান্তনুর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ উঠেছে। তারপরও তিনি হাজিরা দেননি।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement