মন্দির-মসজিদে বাজানো যাবে না তারস্বরে লাউড স্পিকার, বড় নির্দেশ রাজ্য সরকারের

সরকারে এসেই মন্দির বা মসজিদে লাউডস্পিকার বাজানো নিয়ে নিয়ম কানুন কঠোর করল বিজেপি সরকার। সূত্র মারফত দাবি করা হয়েছে, নিয়ম কানুন কড়া ভাবে পালন করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
মন্দির-মসজিদে বাজানো যাবে না তারস্বরে লাউড স্পিকার, বড় নির্দেশ রাজ্য সরকারেরমন্দির-মসজিদে বাজানো যাবে না তারস্বরে লাউড স্পিকার
হাইলাইটস
  • মন্দির বা মসজিদে লাউড স্পিকার বাজানো নিয়ে নিয়ম কানুন কঠোর করল বিজেপি সরকার।
  • নিয়ম কানুন কড়া ভাবে পালন করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • কোথাও উচ্চস্বরে লাউডস্পিকার বাজানো হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারে এসেই মন্দির বা মসজিদে লাউড স্পিকার বাজানো নিয়ে নিয়ম কানুন কঠোর করল বিজেপি সরকার। সূত্র মারফত দাবি করা হয়েছে, নিয়ম কানুন কড়া ভাবে পালন করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারে তরফে পুলিশকে জানানো হয়েছে, হাইকোর্টের আদেশ অনুসারে, মন্দির, মসজিদ বা অন্য কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে কোথাও উচ্চস্বরে লাউড স্পিকার বাজানো যাবে না। কোথাও তারস্বরে লাউড স্পিকার বাজানো হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, রাজ্যে সরকারে এসেই প্রশাসনিক মেজাজে বদল করতে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী।  দুর্নীতি থেকে সামাজিক জনজীবন, সব ক্ষেত্রেই এবার কড়াকড়ির ইঙ্গিত দিচ্ছে শাসক শিবির। সেই তালিকায় রয়েছে তারস্বরে লাউড স্পিকার বাজানো থেকে শুরু করে হেলমেট পরা ও রাস্তায় নমাজ পড়ার মতো ঘটনাও। 

সোমবার এক সাক্ষাৎকারে বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং বলেন, রাস্তায় নমাজ পড়া আর বরদাস্ত করা হবে না। জনস্বার্থ এবং আদালতের নির্দেশকে হাতিয়ার করেই এই কড়া অবস্থান নিতে চলেছে নতুন সরকার। 

মুখ্যমন্ত্রী নিজে একাধিক বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। দুর্নীতি দমনে যেমন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়া হয়েছে, তেমনই সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ সুগম রাখতে রাস্তায় ধর্মীয় জমায়েতেও রাশ টানা হচ্ছে। অর্জুনের কথায়, "মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত কঠোর আদেশ জারি করেছেন। কোনো ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। পাশাপাশি, রাস্তায় নমাজ পড়ার কোনো অনুমতি দেওয়া হবে না।" তাঁর পরামর্শ, নমাজ পড়তে হলে মসজিদে যাওয়াই শ্রেয়। এতে যানজট যেমন কমবে, তেমনই আদালতের নির্দেশও পালন করা হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আইন-শৃঙ্খলা এবং নাগরিক শৃঙ্খলার ওপর বাড়তি জোর দিচ্ছে। অর্জুন সিং মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, রাস্তায় নমাজ পড়া সীমিত করার পিছনে আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ রয়েছে। সরকার কেবল সেই আইনি দিকটিই কার্যকর করতে চাইছে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা নয়, বরং রাস্তা যাতে সর্বসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী থাকে, সেটাই এখন প্রশাসনের অগ্রাধিকার। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পাশাপাশি নাগরিক পরিষেবা স্বাভাবিক রাখাই যে তাঁদের মূল লক্ষ্য, এদিন অর্জুনের কথাতেই তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement