Congress TMC Alliance: মমতার জোটবার্তা, কংগ্রেস কি সাড়া দিল? শহিদ মিনারের মঞ্চে মিলল অনেক ইঙ্গিত

শহিদ দিবস কর্মসূচিতে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৯৯৩ সালের গণআন্দোলনকালীন একটি ঐতিহাসিক ছবি রেখেছিল প্রদেশ কংগ্রেস। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চর্চা চলছে। এরমাঝেই ২১ জুলাইয়ের সভা থেকে জোটের বার্তা দিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই সভা থেকেই মমতা জানিয়ে দেন বাংলায় আবার INDIA জোটের সঙ্গে লড়বেন তিনি৷ বার্তা দেন, ‘বাংলার সব রাজনৈতিক দলকে বলছি, যারা সত্যিই বিজেপি-র বিরুদ্ধে, জোট বাঁধুন তৈরি হোন।’

Advertisement
 মমতার জোটবার্তা, কংগ্রেস কি সাড়া দিল? শহিদ মিনারের মঞ্চে মিলল অনেক ইঙ্গিতমঞ্চে থেকে কী বললেন অধীর-দীপারা?

শহিদ দিবস কর্মসূচিতে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৯৯৩ সালের গণআন্দোলনকালীন একটি ঐতিহাসিক ছবি রেখেছিল প্রদেশ কংগ্রেস। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চর্চা চলছে।  এরমাঝেই ২১ জুলাইয়ের সভা থেকে জোটের বার্তা দিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই সভা থেকেই মমতা জানিয়ে দেন বাংলায় আবার INDIA জোটের সঙ্গে লড়বেন তিনি৷ বার্তা দেন, ‘বাংলার সব রাজনৈতিক দলকে বলছি, যারা সত্যিই বিজেপি-র বিরুদ্ধে, জোট বাঁধুন তৈরি হোন।’

মমতা বন্দ্যোাধ্যায় মঞ্চ থেকে বলেন, ‘INDIA ছাড়াও অন্য অনেক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আছে। আমরা একসঙ্গে লড়াই করব। আগামীদিনে বাংলায় সবাই জোট করার চেষ্টা করব। না হলেও INDIA লড়বে। যা শুরু করব কেউ রুখতে পারবেন না।’ ‘ককরোচ’ দলের আন্দোলনেও তিনি যাবেন বলে ঘোষণা করেন মমতা৷

মমতা যখন জোট বার্তা দিচ্ছেন তখন শহিদ মিনার চত্বরে কংগ্রেসের শহিদ দিবসেও দেখা গেল তৃণমূলনেত্রীর ছবি।  কংগ্রেসের মঞ্চের বাঁ দিকে যে 'স্মৃতির দেওয়াল' তৈরি করা হয়েছে, তাতে রাখা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই মহাকরণ অভিযানের ছবি। যদিও পাশাপাশি রাখা হয়েছে তাঁকে শ্রদ্ধা ও কটাক্ষ করে তৈরি করা দু’টি ব্যানার। কংগ্রেসের বক্তব্য, ‘আমরা ইতিহাস বিকৃত করি না। সেই দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই মিছিল হলেও পরবর্তীকালে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হলেও তদন্তে কিছু ফল‌ হয়নি। মানুষের সামনে সব তুলে ধরেছি। মানুষ বুঝুক।’

কংগ্রেস নেতৃত্বের স্পষ্ট বক্তব্য, এই মঞ্চে প্রদর্শিত ছবিটি ১৯৯৩ সালের আন্দোলন চলাকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী হিসেবে মমতার ভূমিকার একটি দলিল। দলের মতে, ২১ জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী ইতিহাস থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন অবদানকে অস্বীকার করার কোনও সুযোগ নেই, এবং এই সিদ্ধান্ত ইতিহাস ও শহিদ দিবসের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এদিনের সভাতেও কংগ্রেসকে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের প্রতি অনেকটাই নরম। অধীর চৌধুরী, দিপা দাশমুন্সির মতো নেতা-নেত্রীরা প্রাণমী চুরি থেকে ছাত্র আন্দোলন সব বিষয়ে বিজেপিকে নিশানা করলেও তৃণমূলের প্রতি নীরবই থেকেছেন। প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়ে দেন, আগামী বছর রাজ্যে আসছেন রাহুল গান্ধী। ব্রিগেডে সমাবেশ করবেন তিনি। মমতার জোট বার্তার পর এই মঞ্চে রাহুল ও তৃণমূলনেত্রীকে একসঙ্গে দেখা যাবে কিনা সেটাই এখন প্রশ্ন। প্রসঙ্গত বিধানসভা ভোটের পর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত INDIA জোটের বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অংশ নিয়েছিলেন মমতা। সেই বৈঠকে রাহুল ও সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে আলাপচারিতাতেও দেখা গিয়েছিল মমতাকে। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement