Mamata Footpath Woman: অগ্নিমিত্রার ধমক খাওয়া সেই রশিদার দায়িত্ব নিতে চান মমতা, ঠিক কী বললেন?

অগ্নিমিত্রা পলের কাছে ধমক খাওয়া সেই ফুটপাথবাসী মহিলা ও তাঁর পরিবারের দায়িত্ব নেবেন মমতা। সোমবার বিকেলে ফেসবুক লাইভে এসে এমনটাই জানালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

Advertisement
অগ্নিমিত্রার ধমক খাওয়া সেই রশিদার দায়িত্ব নিতে চান মমতা, ঠিক কী বললেন?সোমবার বিকেলে ফেসবুক লাইভে এসে এমনটাই জানালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
হাইলাইটস
  • অগ্নিমিত্রা পলের কাছে ধমক খাওয়া সেই ফুটপাথবাসী মহিলা ও তাঁর পরিবারের দায়িত্ব নেবেন মমতা। 
  • লাইভে এসে এমনটাই জানালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
  • মমতা বলেন, 'আমি এই পরিবারটির দায়িত্ব নিতে রাজি আছি।'

অগ্নিমিত্রা পলের কাছে ধমক খাওয়া সেই ফুটপাথবাসী মহিলা ও তাঁর পরিবারের দায়িত্ব নেবেন মমতা। সোমবার বিকেলে ফেসবুক লাইভে এসে এমনটাই জানালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। সম্প্রতি ফুটপাতবাসী এক মহিলাকে শিশুর জন্য দুধ গরম করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে সেই মহিলাকে ধমক দিতে দেখা যায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার মুখ খুললেন মমতা। 

লাইভে মমতা বলেন, 'আমি এই পরিবারটির দায়িত্ব নিতে রাজি আছি। আমি বা আমার দলের সহকর্মীরা, যদি এই পরিবারটি মনে করে। আমাদেরই কোনও সহকর্মীর বাড়িতে আমি তাঁদের থাকা, শিশুদের পড়াশোনা শেখা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেব। এটুকু করতে পারি। আমাদের সহকর্মীরা পারবেন। সাধারণ মানুষও পারবেন।'

মমতা বলেন, 'কী করেছেন আপনারা! একটি ছোট্ট দুধের শিশু, তার মা গরিব হতে পারে। গরিব হওয়া অপরাধ নয়। দরিদ্র হলেও মানুষকে অনেক খাটতে হয়, পরিশ্রম করতে হয়। দারিদ্রের থেকে মানবিকতা অনেক বড়। গরিব মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে, মা দুধ ফোটাচ্ছে বাচ্চার জন্য়, তাঁর থাকার জায়গা নেই, অসহায়। অসহায় মানুষের থাকার জায়গা তো করুন। আমরা তো অনেক শেল্টার করেছিলাম।'

কী হয়েছিল পার্ক স্ট্রিটে?
পার্ক স্ট্রিট এলাকায় ফুটপাতবাসী রশিদা নামের এক মহিলা দুধ গরম করছিলেন। সেই সময় পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল তাঁকে ফুটপাতে দুধ গরম করতে নিষেধ করেন। এর একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তার পর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।

পরে রশিদার সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর সঙ্গে কথা বলে পরিবারটির পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করেন। ফুটপাতবাসীদের পুনর্বাসনের পক্ষেও সওয়াল করেন কুণাল।

জানা যায়, রশিদার জীবন যথেষ্ট কঠিন। পঞ্জাবের বাসিন্দা রশিদার আগের নাম ছিল সীতা। এক মুসলিম যুবককে বিয়ের পর তাঁর নাম হয় রশিদা। পরে স্বামী তাঁকে ছেড়ে চলে যান। এক ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে শুরু হয় তাঁর লড়াই। পরে ছেলেকেও হারান। মেয়ের বিয়ের পর সেই সংসারও টেকেনি। শেষ পর্যন্ত ছোট নাতিকে নিয়ে মেয়ে মায়ের কাছেই ফিরে আসে। ফুটপাতই আশ্রয় রশিদাদের। জীবিকার জন্য আবর্জনা কুড়োনো, ঝাড়ু দেওয়া এবং কাগজ কুড়োনোর কাজ করেন।  

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement