mamata banerjeeজল্পনা সত্যি করে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বৃহস্পতিবার বা কাল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করবেন ইন্ডিয়া ব্লকের সদস্যরা। সেই দলে থাকবেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতাও। তবে তিনি ককরোচ জনচা পার্টির আন্দোলনে আদৌ যোগ দেবেন কি না সেই বিষয়ে এখনও তাঁর দল বা জোটের তরফে জানানো হয়নি।
আজ দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে মমতা জানান, 'আমাকে যেতে বলা হয়েছে, তাই আমি যাচ্ছি। ৮ বা ৯ তারিখে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের পক্ষ থেকে সময় চাওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় আমার নামও রয়েছে।'
তিনি আরও জানান, তিনি যাবেন না ভেবেছিলেন। অভিষেককে পাঠাবেন বলে মনস্থির করেছিলেন। তবে নেতা-নেত্রীদের আবেদনে তিনিই যাচ্ছেন। তাঁর কথায়, 'প্রথমে আমি ভেবেছিলাম, আমি যাব না, অভিষেককে পাঠাব। কিন্তু তাঁরা আমাকে যেতে অনুরোধ করেছেন এবং আমার নামও পাঠানো হয়েছে। যেহেতু আন্দোলন চলছে, তাই এই পরিস্থিতিতে আমি যদি তাঁদের পাশে না থাকি, সেটা ঠিক দেখাবে না। বিশেষ করে বাংলার মানুষও চাইছেন আমি যাই।'
মমতার আরও দাবি, বাংলার মানুষ চাইছেন সেকারণে তিনি যাচ্ছেন। বলেন, 'এখন পুজোর সময়, সবাই ব্যস্ত। তা সত্ত্বেও আমাকে যেতে হবে। রাষ্ট্রপতি যদি সময় দেন, তাহলে ভালো। আর আমি যদি সেখানে না থাকি, সেটাও ভালো দেখাবে না। সেই কারণেই আমি যাচ্ছি। এরপর আর কী কী কর্মসূচি হবে, তা অবশ্য আমি জানি না।'
প্রসঙ্গত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাদের দাবিতে উত্তাল দিল্লি। ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে সেখানে আন্দোলন করছেন ইন্ডিয়া ব্লকের নেতারাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ককরোচদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর দিল্লি যাওয়া রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, বরাবরই বিজেপি বিরোধী মুখ হিসেবে তিনি পরিচিত। জ্ঞানেশ কুমার ইস্যু সরকার বিরোধী দলগুলিকে একজোট করেছে। একটা মঞ্চ তৈরি করে দিয়েছে। এখন দেখার মমতা ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দেন কি না।