'ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সব টাকা বৈধ, ED-র পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত', বলছে TMC

এরপরই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে আক্রমণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের শিবির। তাদের অভিযোগ, 'কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।'

Advertisement
'ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সব টাকা বৈধ, ED-র পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত', বলছে TMC ৪০০ কোটির বেশি টাকা ফ্রিজ করেছে ED
হাইলাইটস
  • রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময়ও বারবার সিবিআই, ইডির মতো তদন্তকারী সংস্থাকে আক্রমণ করত তৃণমূল
  • এখনও সেই একই অভিযোগ ঘাসফুল শিবিরের

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট ফ্রিজ করেছে  এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অভিযোগ করল কালীঘাট তৃণমূল। দলের ৪৪০.৪২ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে ইডি। তা নিয়ে বিবৃতিও জারি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে রাজ্যের পূর্বতন শাসকদলের অভিযোগ, তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা সব টাকা বৈধ। 

ইডির পদক্ষেপের নিন্দা করে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়, 'দলের সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে। দলের সমস্ত অনুদানের লেনদেন যথাযথভাবে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) এবং আয়কর দফতরের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য প্রতি বছর নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় এবং তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। ইলেক্টোরাল বন্ড-সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যও ইতিমধ্যেই ভারতের সরকারের কাছে রয়েছে। কারণ, এই বন্ডগুলি স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ইস্যু করেছিল এবং পরে সেগুলির তথ্য ভারতের সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হয়েছে।' 

এরপরই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে আক্রমণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের শিবির। তাদের অভিযোগ, 'কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা এই স্বেচ্ছাচারী ও বেআইনি পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করছি।' 

রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময়ও বারবার সিবিআই, ইডির মতো তদন্তকারী সংস্থাকে আক্রমণ করত তৃণমূল। এখনও সেই একই অভিযোগ ঘাসফুল শিবিরের। এক্স হ্যান্ডেলে তারা লেখে, 'রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশানা করতে তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করা বিজেপির রাজনীতির অন্যতম বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে। এটি শুধু গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির উপর আঘাত নয়, বরং সমান রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার নীতিকেও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।' 

প্রসঙ্গত,  বিমান কেনার নামে এক সংস্থার মাধ্যমে ১৬০ কোটি টাকা সরানো হয়েছে বলে অভিযোগ। তারপরই তৃণমূলের দলীয় তহবিল এবং একটি বিজনেস জেট ও হেলিকপ্টার কেনা সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের তদন্ত জোরদার করেছে ইডি। এরপরই  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রায় ৪৪০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়। 

Advertisement

 
POST A COMMENT
Advertisement