আসল 'পুষ্পা' আত্মসমর্পণ করলেন, সরকারি আশ্বাস পেতেই...

সরকারের আশ্বাসে মূলস্রোতে ফিরলেন প্রাক্তন মহিলা মাওবাদী পুষ্পা ওরফে শকুন্তলা। ২০০১ সালে কালচারাল মাওবাদী সদস্য হিসেবে সংগঠনে যোগ দেন পুষ্পা। এদিন আনুষ্ঠানিক ভাবে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

Advertisement
আসল 'পুষ্পা' আত্মসমর্পণ করলেন, সরকারি আশ্বাস পেতেই...সরকারি আশ্বাসে আত্মসমর্পণ 'লেডি পুষ্পা'র
হাইলাইটস
  • পশ্চিমবঙ্গে ডাবল ইঞ্জিন সরকার গড়ার পর প্রথমবার নয়া নজির।
  • সরকারের আশ্বাসে মূলস্রোতে ফিরলেন প্রাক্তন মহিলা মাওবাদী পুষ্পা ওরফে শকুন্তলা।
  • কলকাতায় নগরপালের হাতে নিজের আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ।

পশ্চিমবঙ্গে ডাবল ইঞ্জিন সরকার গড়ার পর প্রথমবার নয়া নজির। সরকারের আশ্বাসে মূলস্রোতে ফিরলেন প্রাক্তন মহিলা মাওবাদী পুষ্পা ওরফে শকুন্তলা। দীর্ঘদিন মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর তিনি সমাজের মূলধারায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বুধবার কলকাতায় নগরপালের হাতে নিজের আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

জানা গিয়েছে, ২০০১ সালে কালচারাল মাওবাদী সদস্য হিসেবে সংগঠনে যোগ দেন পুষ্পা। পরবর্তীতে ঝাড়খণ্ড- ওড়িশা সীমান্ত এলাকায় সক্রিয়ভাবে কাজ করেন এবং সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গেও বিভিন্ন মাওবাদী কার্যকলাপ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর বাড়ি ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়ি এলাকার মেচুয়া গ্রামে। যদিও বাংলায় খুব বেশি কাজ সে করেনি। মূলত, ঝাড়খণ্ডেই নিজের কাজ চালাত সে।

সূত্রের খবর, চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মাওবাদী কার্যকলাপ ত্যাগ করে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে আত্মসমর্পণ করলেন তিনি। পুষ্পা জানান, সরকারের পুনর্বাসন ও সামাজিক জীবনে ফিরিয়ে আনার আশ্বাসে আস্থা রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর দাবি, সরকার বাসস্থান ও জীবিকার ব্যবস্থা করার কথা বলেছে, যা তাঁকে নতুন জীবন শুরু করার সাহস জুগিয়েছে।

একইসঙ্গে এখনও যারা মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তাঁদেরও অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মূলস্রোতে ফিরে আসার আহ্বান জানান পুষ্পা। তাঁর কথায়, 'শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক জীবনের বিকল্প নেই।' তিনি বলেন, "মূল স্রোতে ফিরে আসতে পেরে আমার ভাল লাগছে। মাওবাদী আন্দোলনের গুরুত্ব কমে গিয়েছে। আমার মত আপনারাও আত্মসমর্পণ করুন।" 

 

POST A COMMENT
Advertisement