scorecardresearch
 

'অন্য দলের সঙ্গে যোগ রয়েছে,' বিজেপির কমিটি নিয়ে বিস্ফোরক শান্তনু

বিজেপির রাজ্য কমিটি নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। কয়েকদিন আগেই তিনি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছিলেন। তার পরেই বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন তিনি। এদিন শান্তনু ঠাকুর বলেন, "বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ এসেছে। বহু মানুষকে নিয়ে মিটিং সম্ভব নয়।

শান্তনু ঠাকুর। শান্তনু ঠাকুর।
হাইলাইটস
  • 'অন্য দলের সঙ্গে যোগ রয়েছে,'
  • বিজেপির কমিটি নিয়ে বিস্ফোরক শান্তনু
  • জানুন বিস্তারিত তথ্য

বিজেপির রাজ্য কমিটি নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। বিজেপির নয়া রাজ্য কমিটি ঘিরে বেশ কয়েক দিন ধরেই সংঘাত বাড়ছিল। কয়েকদিন আগে বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন মতুয়া বিধায়করা। তাঁদের ক্ষোভ ছিল সেই কমিটিতে মতুয়া নেতাদের জায়গা দেওয়া হয়নি। এর পরেই গ্রুপ ছাড়েন মতুয়া নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এমনকী বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের নিয়ে তিনি বৈঠকও করেন।

কী বললেন শান্তনু

এদিন শান্তনু ঠাকুর বলেন, "বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ এসেছে। বহু মানুষকে নিয়ে মিটিং সম্ভব নয়। যে কমিটি তৈরি হয়েছে তাঁদের সৎ উদ্দেশ্য নেই। ভুল বোঝানো চেষ্টা চলছে। কোনও  ব্যবস্থা সংগঠনকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা হচ্ছে। মনে হচ্ছে অন্য দলের সঙ্গে যোগ আছে।  এটাকে বানচাল করবো। ২% শতাংশ ৪০% করলো তাদের ৯০% মানুষকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হল। সংগঠনের একজন নেতা, যার কোনও গুরুত্ব নেতার নেই। আমরা তাঁর অপসারণ চাই। শাসকদলের চক্রান্ত হতে পারে। শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করছি। সঠিক সময় বোম ব্লাস্ট করব।"

ক্ষোভ উগড়ে দিলেন শান্তনু

এদিন তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা গেল বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার, রীতেশ তিওয়ারিদের। তবে শান্তনু ঠাকুর যে এবারই প্রথম বেঁকে বসেছেন, এমনটা নয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগেও বিজেপির সঙ্গে তাঁর একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। পরে তৎকালীন বিজেপি নেতা মুকুল রায় উপস্থিতিতে পরিস্থিতি সামলানো যায়। বর্তমানে মুকুল রায় তৃণমূলে ফিরে গিয়েছেন। বিধানসভায় ভরাডুবির পরে বাংলা থেকে ৪ জনকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী করে বিজেপি। তাঁদের মধ্যে অন্যতম শান্তনু ঠাকুর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হলেও সদ্য তৈরি হওয়া রাজ্য কমিটি ঘিরে যে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। তাতে পুরভোটের আগে ভালোই চাপ বাড়ছে বঙ্গ বিজেপিতে।