কুরবানি নিয়ে কারও নির্দেশ দেওয়ার অধিকার নেই, পশু জবাই হবেই; রাজ্যের নির্দেশ নিয়ে হুমায়ুন

হুমায়ুন বলেন, 'কুরবানির সঙ্গে আমরা কোনও সমঝোতা করব না। বিশ্বের মুসলমানরা কুরবানি করবেই। মুসলমানদের এটা বড় উৎসব। ত্যাগের উৎসব। এটাকে কেউ বারণ করতে পারে না। কুরবানি মুসলমানদের অধিকার। আর তা হবেই।' 

Advertisement
কুরবানি নিয়ে কারও নির্দেশ দেওয়ার অধিকার নেই, পশু জবাই হবেই; রাজ্যের নির্দেশ নিয়ে হুমায়ুন Humayun Kabir
হাইলাইটস
  • পশু জবাই নিয়ে গাইড লাইন বেঁধে দিয়েছে সরকার
  • নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পশু জবাই করা যাবে

পশু জবাই নিয়ে গাইড লাইন বেঁধে দিয়েছে সরকার। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পশু জবাই করা যাবে। অন্যথা নয়। না মানলে জেল ও জরিমানাও হতে পারে বলে সাফ বার্তা রাজ্যের। তবে সরকারের দেওয়া নির্দেশিকা নিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের দাবি, কুরবানিতে কেউ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে না। 

হুমায়ুন বলেন, 'কুরবানির সঙ্গে আমরা কোনও সমঝোতা করব না। বিশ্বের মুসলমানরা কুরবানি করবেই। মুসলমানদের এটা বড় উৎসব। ত্যাগের উৎসব। এটাকে কেউ বারণ করতে পারে না। কুরবানি মুসলমানদের অধিকার। আর তা হবেই।' 

প্রসঙ্গত, রাজ্যে বিজেপি পরিচালিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর নির্দেশ দিয়েছে, পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানতেই হবে। নির্দেশিকা অনুসারে, কারও কাছে জবাইয়ের সার্টিফিকেট না থাকলে তা করতে পারবেন না। গরুর বয়স অন্তত ১৪ হতেই হবে, পুরসভার জবাইখানা বা স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনও জবাইখানায়। তবে এই নিয়ম নিয়ে সরাসরি হুমায়ুন কিছু বলেননি। তবে তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন, কুরবানিতে জবাই হবেই।

এদিকে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাজীব সরকার নামে বাগুইআটির এক বাসিন্দা বিধাননগর কমিশনারেটে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধ।' তা নিয়ে ওই বিধায়ক বলেব, 'নিশ্চয়  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে উনি যা বলেছেন তা নিন্দনীয়। এভাবে তো বলা যায় না। উনি বলেছিলেন, ৪ তারিখ বেলা ১২ টার পর সবাইকে দেখা হবে। সেটা তো হুমকি। সেজন্য অভিযোগ হয়েছে। এটাই তো স্বাভাবিক। 

বুলডোজার চালানো প্রসঙ্গ রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়ান হুমায়ুন। তিনি জানান, যদি বেআইনি নির্মাণ হয় তাহলে তো তা ভাঙতেই হবে। এই ব্যাপারে রাজ্য সরকার যা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা ঠিক। 
 

POST A COMMENT
Advertisement