Insaf Sabha : ভিড়ে ঠাসা বামেদের ইনসাফ সভা, সেলিমের আক্রমণ, 'TMC মানে টাকা মারা কোম্পানি'

আনিস খান, সুদীপ্ত গুপ্ত, মইদুল ইসলাম মিদ্যার মৃত্যু, বেকারত্ব, দুর্নীতি-সহ একাধিক ইস্যু নিয়ে ইনসাফ সভার ডাক দেয় SFI-DYFI। ধর্মতলায় সেই সভা থেকেই তৃণমূল-বিজেপিকে একযোগে নিশান করেন সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, "বিজেপি তৃণমূল ভাগ করছে, সবাইকে এক করতে হবে। আনিস খানের জন্য লড়াই করছে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সৃজন ভট্টাচার্য। কাকে হিন্দু মুসলমান শেখাচ্ছ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরএসএস-কে বাংলায় ঢুকিয়েছে। আপনি পশ্চিমবঙ্গে আরএসএস-বিজেপির হয়ে কন্ট্র্যাক্ট নিয়েছেন।" 

Advertisement
'TMC মানে টাকা মারা কোম্পানি,' ইনসাফ সভায় আক্রমণ সেলিমেরইনসাফ সভার ডাক SFI-DYFI-এর
হাইলাইটস
  • তৃণমূল-বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ
  • ইনসাফ সভা থেকে আক্রমণ সেলিমের
  • একহাত নিলেন পুলিশকেও

'TMC মানে টাকা মারা কোম্পানি'। মঙ্গলবার ধর্মতলায় SFI-DYFI-এর ডাকে আয়োজিত 'ইনসাফ সভা' থেকে এভাবেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে বিঁধলেন সিপিআইএম-এর (CPIM) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম (Mohamad Salim)। একইসঙ্গে বিজেপিকেও (BJP) তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। 

আনিস খান, সুদীপ্ত গুপ্ত, মইদুল ইসলাম মিদ্যার মৃত্যু, বেকারত্ব, দুর্নীতি-সহ একাধিক ইস্যু নিয়ে ইনসাফ সভার ডাক দেয় SFI-DYFI। ধর্মতলায় সেই সভা থেকেই তৃণমূল-বিজেপিকে একযোগে নিশান করেন সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, 'বিজেপি তৃণমূল ভাগ করছে, সবাইকে এক করতে হবে। আনিস খানের জন্য লড়াই করছে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সৃজন ভট্টাচার্য। কাকে হিন্দু মুসলমান শেখাচ্ছ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরএসএস-কে বাংলায় ঢুকিয়েছে। আপনি পশ্চিমবঙ্গে আরএসএস-বিজেপির হয়ে কন্ট্র্যাক্ট নিয়েছেন।' 

ইনসাফ সভা
ইনসাফ সভা

সেলিম বলেন, 'জনগণ জাগছে, ১০-১১ বছরের দমবন্ধ করা অবস্থা ভেঙে বেরিয়ে আসতে চাইছে। আমার ইনসাফের পক্ষে। অধিকার কে কাকে দেয়? অধিকার লড়ে নিতে হয়, অধিকার কেড়ে নিতে হয়। ইনসাফ হবে, তবে তার আগে তৃণমূল-বিজেপি জঞ্জাল সাফ করতে হবে। গোড়া থেকে তৃণমূলর ঘাস উপড়ে ফেলতে হবে। কোথাও কোথাও ঘাস বাঁশ হয়েছে, তা কেটে ফেলতে হবে।' 

ইনসাফ সভা
ইনসাফ সভা

এদিনের সভা থেকে পুলিশকেও একহাত নেন সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক। মহম্মদ সেলিম বলেন, 'পুলিশ মঞ্চের সাইজ ঠিক করে দিতে পারে, কিন্তু জমায়েতের সাইজ মানুষ ঠিক করবেন। পাহারা দিতে হলে অনব্রতর বাড়ি পাহারা দিচ্ছেন দিন, অভিষেকের বাড়ি পাহাড়া দিচ্ছেন দিন। আনিস খানের খুনের অভিযোগ নেয়নি। পুলিশকে বলছি, আমর যেমন নতুন করে ইতিহাস লিখছি, তেমন পুলিশকেও নতুন করে আইন শিখতে হবে। আমাদের অ্যাডভকেটদের পাঠিয়ে দেব, এফআইআর কীভাবে লিখতে হয় শিখিয়ে দেবে।' 

আরও পড়ুন - পুজোয় হোটেল-রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়ে যে বিষয়গুলি অবশ্যই মাথায় রাখবেন... 

 

POST A COMMENT
Advertisement