গরহাজির মুকুল! ১৩ মিনিটেই শেষ বিধায়ক পদের তৃতীয় শুনানি

বিধায়ক পদ নিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে তৃতীয় শুনানিতে অনুপস্থিত থাকলেন মুকুল রায়। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে এদিন তিনি আসেননি। সে বিষয়ে তিনি চিঠিও পাঠান অধ্যক্ষের কাছে। শুনানিতে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তাঁর আইনজীবী এবং বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়।

Advertisement
গরহাজির মুকুল! ১৩ মিনিটেই শেষ বিধায়ক পদের তৃতীয় শুনানিমুকুল রায়। ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • গরহাজির মুকুল
  • ১৩ মিনিটেই শেষ বিধায়ক পদের তৃতীয় শুনানি
  • ক্ষোভ উগড়ে দিলেন শুভেন্দু

বিধায়ক পদ নিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে তৃতীয় শুনানিতে অনুপস্থিত থাকলেন মুকুল রায়। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে এদিন তিনি আসেননি। সে বিষয়ে তিনি চিঠিও পাঠান অধ্যক্ষের কাছে। শুনানিতে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তাঁর আইনজীবী এবং বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়। পরে শুভেন্দু অধিকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মুকুল রায়ের চিঠি ত্রুটিপূর্ণ। কারণ সেখানে তারিখ ও বয়স উল্লেখ নেই। যদিও বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, চিঠি ত্রুটিহীন। কারোর কোনও সমস্যা হলে আদালতে যেতে পারেন। অন্যদিকে এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ সেপ্টেম্বর। এদিন মাত্র ১৩ মিনিট চলে শুনানি।

মুকুল রায় এ বার বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন বিজেপির টিকিটে। কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রটি থেকে তিনি জিতেও যান। কিন্তু নির্বাটনের ফল প্রকাশের একদিনের মধ্যে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন মুকুল রায়। তারপরেই মুকুলের বিধায়ক পদ বাতিলের দাবিতে সোচ্চার হয় বিজেপি।  বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠিও লেখেন তাঁরা। এরই মধ্যে বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান করা হয় মুকুল রায়কে। ফলে বিষয়টি ঘিরে বিজেপি বনাম তৃণমূল সংঘাত আরও বাড়ে।  রীতি অনুযায়ী এই পদ বিরোধীদের হাতে থাকার কথা। কিন্তু বিধানসভার চেয়ারম্যান এই পদে বসান মুকুল রায়কে। বিষয়টি নিয়ে তখন থেকেই সোচ্চার বিজেপি। সেই প্রতিবাদে বিধানসভার বাকি কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকেও ইস্তফা দেন বিজেপি বিধায়করা। যদিও মুকুল তৃণমূলে যোগ দিলেও খাতায় কলমে বিজেপি বিধায়ক। এমনকি বিধানসভার অধিবেশনেও তিনি বসেছিলেন বিরোধী বেঞ্চে। 

 যদিও যাঁকে ঘিরে এই দ্বন্দ্ব সেই মুকুল রায় ইদানিং তাঁর বেশ কিছু মন্তব্যে জল্পনা আরও বাড়িয়েছেন।  তিনি জানান, আমি বিজেপি দরকার হলে বিজেপি বলব, তৃণমূল হলে তৃণমূল বলব। আমি তৃণমূলেই রয়েছি। ত্রিপুরায় আগের থেকে ভালো ফল করবে তৃণমূল। হামলার ঘটনা অন্যায়। কিন্তু এটা ঠিক নয়। আমাকে দল পাঠালে ত্রিপুরা যাব। কৃষ্ণনগরে আমি বিপুল ভোটে জিতব, তবে তৃণমূলের নয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বিজেপির হয়ে জিতব। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement